রোহিঙ্গাদের টেকসই ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনে জাপানের জোরালো কূটনৈতিক সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
মিয়ানমার থেকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা নাগরিকদের দ্রুত, নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে জাপানের সক্রিয় ও জোরালো কূটনৈতিক সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। গতকাল সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই আহ্বান জানান। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের ওপর টোকিওর কূটনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে বাস্তুচ্যুতদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে বেগবান করা এবং সীমান্ত অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপ লাঘব করতেই এই সহযোগিতার অনুরোধ করা হয়।
আলোচনার মূল বিষয় ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা
সাক্ষাৎকালে উভয় দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জাপান বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন অংশীদার এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বন্ধুপ্রতীম এই দেশটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চাপ: মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের উপযুক্ত ও অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে জাপানকে আরও সোচ্চার ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানান প্রধানমন্ত্রী।
মানবিক সহায়তা ও উন্নয়ন: রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আলোচনা হয়।
দ্বিপাক্ষিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব: বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে চলমান অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা ও অবকাঠামোগত মেগা প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।
এক নজরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও জাপানি সহযোগিতা
উদ্যোগ গ্রহণকারী: প্রধানমন্ত্রী
সহযোগিতাকারী দেশ: জাপান (জাপানি রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে আহ্বান)
প্রধান উদ্দেশ্য: মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা
মূল তাগিদ: আন্তর্জাতিক মঞ্চে মিয়ানমারের ওপর কার্যকর কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ
আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক দায়িত্ব
প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রত্যাবাসন ঝুলে থাকার কারণে কক্সবাজার ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পরিবেশগত ভারসাম্য চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এই সংকট আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হয়ে উঠার আগেই দ্রুত প্রত্যাবাসন শুরু হওয়া জরুরি।
জাপানের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি
জাপানি রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের এই মানবিক আশ্রয়ের ভুয়সী প্রশংসা করেন এবং মিয়ানমারের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও প্রত্যাবাসনের পথ সুগম করতে টোকিও তার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন। একই সাথে বাংলাদেশে চলমান জাপানি উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে সহায়তা আরও বাড়ানোর আশ্বাস দেন তিনি।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |