ইতালির তুরিন শহরে অবস্থিত ক্যাসেল বিমানবন্দরে পৌঁছানো এক যাত্রীর ট্রাভেল লাগেজ তল্লাশি করতে গিয়ে তাজ্জব বনে গেছেন শুল্ক কর্মকর্তা ও বিমানবন্দর পুলিশ। তল্লাশিকালে ওই যাত্রীর ব্যাগের ভেতর সাধারণ প্যাকিং কাগজে নিখুঁতভাবে মোড়ানো একটি বিপন্ন ও সংরক্ষিত প্রজাতির কুমিরের শুকনো মাথা উদ্ধার করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি থেকে ইস্তাম্বুল হয়ে ইতালিতে আসা এক ইতালীয় নাগরিক কোনো বৈধ ছাড়পত্র ও নথি ছাড়াই বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণীর অংশবিশেষ অবৈধভাবে পাচারের চেষ্টার অভিযোগে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন। ঘটনাটির পর ইতালির অর্থসংক্রান্ত পুলিশ সংস্থা (ফিনান্সিয়াল পুলিশ) বিমানবন্দর থেকে ওই কুমিরের মাথা জব্দ করেছে এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে।
আইনগত অপরাধ ও জালিয়াতির কৌশল
বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ বিষয়ক কঠোর প্রটোকল বজায় রাখা ইতালীয় শুল্ক কর্মকর্তারা সন্দেহভাজন যাত্রীদের ব্যাগে অতিরিক্ত তল্লাশি চালান।
তখনই প্রকাশ্যে আসে অভিনব এই পাচার চেষ্টা। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, যাত্রা শুরুর স্থান যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় স্মৃতিচিহ্ন বা সৌখিন পণ্য (Souvenir) হিসেবে দোকানগুলো থেকে এসব কেনা হলেও আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট লাইসেন্স বা অনুমতিপত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক। অভিযুক্ত যাত্রী সাধারণ কাগজে মুড়িয়ে নিরাপত্তা স্ক্যানার এড়িয়ে কোনো অনুমতিপত্র ছাড়াই ইতালিতে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন।
ঘটনার প্রধান তথ্যসমূহ
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংঘটিত ওই ঘটনার প্রধান প্রধান দিকগুলো হলো:
রুট ও গন্তব্য: আমেরিকা (মিয়ামি) থেকে তুরস্ক (ইস্তাম্বুল) হয়ে ইতালির তুরিন শহর পর্যন্ত যাত্রা।
আইনগত লঙ্ঘন: সাইটস (CITES) আন্তর্জাতিক চুক্তি ভেঙে বিলুপ্তপ্রায় ও সংরক্ষিত প্রাণীর অংশবিশেষ বহনের চেষ্টা।
সম্ভাব্য শাস্তি: দোষী সাব্যস্ত হলে ২০ হাজার থেকে ২ লাখ ইউরো জরিমানা অথবা ছয় মাস থেকে এক বছরের জেল।
এক নজরে বিমানবন্দরে কুমিরের মাথা উদ্ধারের ঘটনা
কুমির ওয়াশিংটন কনভেনশনের আওতায় সুরক্ষিত প্রাণীদের মধ্যে অন্যতম। এটি ১৯৭৩ সালের একটি বৈশ্বিক চুক্তি, যার লক্ষ্য বিপন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণীর অবৈধ বাণিজ্য রোধ করা। সূত্র : জে এন।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |