| বঙ্গাব্দ

জুমার দিনে দরুদ পাঠের বরকত ও অসামান্য ফজিলত

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 25-09-2026 ইং
  • 38069 বার পঠিত
জুমার দিনে দরুদ পাঠের বরকত ও অসামান্য ফজিলত
ছবির ক্যাপশন: দরুদ পাঠের বরকত ও অসামান্য ফজিলত

জুমার দিনের শ্রেষ্ঠ আমল: দরুদ পাঠের অসামান্য ফজিলত ও গুরুত্ব

প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ

সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন জুমাবার হলো উম্মতে মুহাম্মাদির জন্য সাপ্তাহিক ঈদ ও অফুরন্ত রহমতের বার্তা নিয়ে আসা একটি পবিত্র দিন। ইসলামি শরিয়তে এ দিনের গুরুত্ব ও মর্যাদা অত্যন্ত সুউচ্চ। পবিত্র কুরআনে ‘আল-জুমা’ নামে একটি স্বতন্ত্র সুরাও নাজিল করা হয়েছে। এই বরকতময় দিনে মুমিনদের জন্য রয়েছে বেশ কিছু বিশেষ আমল, যার মধ্যে অন্যতম ও সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা।

বিভিন্ন হাদিসের আলোকে জুমার দিনে দরুদ পাঠের অসামান্য কিছু ফজিলত নিচে তুলে ধরা হলো:

  • নবীজির (সা.) সুপারিশ লাভের সৌভাগ্য: জুমার দিনে উম্মতের পাঠানো দরুদ সরাসরি মহানবী (স.)-এর দরবারে পেশ করা হয়। এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমরা জুমার দিন এবং জুমার রাতে আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ কর। যে ব্যক্তি এরূপ করবে, কেয়ামতের দিন আমি তার জন্য সুপারিশকারী কিংবা সাক্ষ্যদাতা হব।’ (আবু দাউদ ১০৪৭)

  • আল্লাহর রহমত ও ফেরেশতাদের ইস্তেগফার: জুমার দিনে দরুদ পাঠের প্রতিদান হিসেবে বান্দার জন্য রয়েছে আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ রহমত এবং ফেরেশতাদের ক্ষমার সুসংবাদ। হাদিসে এসেছে, জিবরাইল (আ.) আল্লাহর পক্ষ থেকে বার্তা নিয়ে এসে জানিয়েছেন যে, কোনো বান্দা একবার দরুদ পাঠ করলে আল্লাহ তার ওপর দশবার রহমত নাজিল করেন এবং ফেরেশতারাও তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

তাই জুমার এই পবিত্র দিনটিতে বেশি বেশি দরুদ পাঠ করে আল্লাহর নৈকট্য ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শাফায়াত লাভে সচেষ্ট হওয়া প্রতিটি মুমিনের উচিত।

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency