| বঙ্গাব্দ

সাগরপথে মিয়ানমারে পাচারের সময় ৯৭৫ বস্তা সার জব্দ

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 25-09-2026 ইং
  • 14272 বার পঠিত
সাগরপথে মিয়ানমারে পাচারের সময় ৯৭৫ বস্তা সার জব্দ
ছবির ক্যাপশন: মিয়ানমারে পাচারের সময় ৯৭৫ বস্তা সার জব্দ

মিরসরাইয়ে মিয়ানমারে পাচারের সময় ৯৭৫ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ, নিলামে বিক্রি

প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে সাগরপথে মিয়ানমারে পাচারের প্রাক্কালে ৯৭৫ বস্তা অবৈধ ইউরিয়া সার জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়নের বঙ্গোপসাগর উপকূলে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে এবং সার পরিবহনে ব্যবহৃত চারটি ট্রাক ও পাচারের কাজে প্রস্তুত রাখা একটি মাছ ধরার ট্রলার জব্দ করা হয়েছে। তবে কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে চক্রের মূল হোতারা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

আটককৃতরা হলেন ট্রাকচালক ইয়াছিন এবং শ্রমিক মো. মনির হোসেন ও মো. ইসমাইল। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে চালক ইয়াছিনকে ১ হাজার টাকা এবং দুই শ্রমিককে ২০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামের মাঝিরঘাট থেকে চারটি ট্রাকে করে ইউরিয়া সারগুলো মিরসরাইয়ের উপকূলীয় এলাকায় আনা হয়েছিল। সারগুলো হাতিয়ায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হলেও প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে, সাগরপথে মিয়ানমারে পাচার করার উদ্দেশ্যেই উপকূলে মাছ ধরার ট্রলারটি প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। ট্রাক থেকে ট্রলারে সার তোলার সময় কোস্টগার্ডের টহল দল বিষয়টি টের পেয়ে অভিযান চালায়। এ সময় আটক ব্যক্তিরা সারের কোনো ধরনের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, চারটি ট্রাকে মোট ১ হাজার ১০০ বস্তা সার থাকার কথা থাকলেও অভিযান শেষে ট্রাক ও ট্রলার মিলিয়ে ৯৭৫ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, অভিযানের আগেই ১২৫ বস্তা সার অন্য কোনো ট্রলারে করে সরিয়ে ফেলা হয়েছিল।

খবর পেয়ে মিরসরাইয়ের সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানভীরুল কাদের ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র রায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় জব্দকৃত ৯৭৫ বস্তা সার সরকারি নির্ধারিত মূল্য প্রতি কেজি ২৫ টাকা ধরে মোট ১২ লাখ ১৮ হাজার ৭৫০ টাকায় প্রকাশ্য নিলামে বিক্রি করা হয়।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানভীরুল কাদের জানান, সারের কোনো বৈধ কাগজপত্র না থাকায় নিলামে তা বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ট্রাক ও ট্রলার মালিকদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোস্টগার্ড জানিয়েছে, সাগরপথে যেকোনো ধরনের চোরাচালান ও অবৈধ পাচার রোধে তাদের এই কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency