ডেঙ্গুতে ৯ মাসে ২৫০ মৃত্যু, সেপ্টেম্বরে সর্বোচ্চ
সারাদেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ। চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে (জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর) সারাদেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট ২৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিশেষ করে সদ্য বিদায়ী সেপ্টেম্বর মাসে এক লাফেই ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে, যা চলতি বছরের মধ্যে এক মাসে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এই আশঙ্কাজনক তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য ও সেপ্টেম্বর মাসের পরিস্থিতি
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া তথ্য মতে, বর্ষা পরবর্তী সময়ে এডিস মশার বংশবৃদ্ধি ও হাসপাতালগুলোতে রোগী ভর্তির চাপ অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে।
সেপ্টেম্বরে রেকর্ড প্রাদুর্ভাব: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বিগত আট মাসের তুলনায় সেপ্টেম্বর মাসে সবচেয়ে বেশি রোগী ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং সবচেয়ে বেশি মৃত্যু নিবন্ধিত হয়েছে।
হাসপাতালে ভর্তি রোগী: সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে শত শত নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
ঢাকার চিত্র সবচেয়ে নাজুক: ডেঙ্গুতে প্রাণহানি ও আক্রান্তের তালিকায় রাজধানীর ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকা শীর্ষ ঝুঁকিতে রয়েছে।
ডেঙ্গু সংক্রান্ত বার্ষিক পরিসংখ্যানের সারসংক্ষেপ
চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসের ডেঙ্গু পরিস্থিতির একটি চিত্র নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো।
| বিষয়ের বিবরণ | পরিসংখ্যান ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেটা |
| মোট মৃত্যু (৯ মাস) | ২৫০ জন (জানুয়ারি – সেপ্টেম্বর)। |
| সর্বোচ্চ মৃত্যুর মাস | সেপ্টেম্বর মাস (বছরের সর্বোচ্চ প্রাণহানি নিবন্ধিত)। |
| প্রধান ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা | ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশন এবং চট্টগ্রাম অঞ্চল। |
কী পয়েন্ট: সতর্কবার্তা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন যে, বাসাবাড়িতে জমে থাকা স্বচ্ছ পানি দ্রুত পরিষ্কার না করলে এবং মশক নিধন অভিযান জোরদার না করা হলে অক্টোবর মাসেও ডেঙ্গুর এই তীব্রতা বজায় থাকতে পারে। সামান্য জ্বর হলেই অবহেলা না করে দ্রুত ডেঙ্গু পরীক্ষা (NS1) করানোর পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় প্রশাসনকে মশা নিধন অভিযান তীব্রতর করার তাগিদ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |