| বঙ্গাব্দ

রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানাল আরব আমিরাত

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 10-10-2026 ইং
  • 9132 বার পঠিত
রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানাল আরব আমিরাত
ছবির ক্যাপশন: রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানাল

২০২৭ সালের রমজান শুরু হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি: পূর্বাভাস আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের

প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) শীর্ষস্থানীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাষ অনুযায়ী, আগামী ২০২৭ সালের পবিত্র রমজান মাস ৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে পারে। একই হিসাব ও গণনার ভিত্তিতে আগামী বছরের ঈদুল ফিতর ৯ অথবা ১০ মার্চ উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্বে রমজান ও ঈদুল ফিতরের সূচনার চূড়ান্ত তারিখ প্রথাগত চাঁদ দেখার ওপরই পুরোপুরি নির্ভর করবে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘গালফ নিউজ’ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘আল খালিজ’ পত্রিকার বিশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

চান্দ্র হিসাব ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের পূর্বাভাস

আমিরাত অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এবং আরব ইউনিয়ন ফর অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড স্পেস সাইন্সের সদস্য ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানিয়েছেন, শনিবার সূর্যাস্তের পর আকাশে নতুন চাঁদের জন্ম হতে পারে। সে অনুযায়ী আগামী রোববার সন্ধ্যায় খালি চোখে নতুন চাঁদ দেখা যাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। এই হিসাবে হিজরি ১৪৪৮ সালের ‘জমাদিউল আউয়াল’ মাস ১২ অক্টোবর শুরু হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। জমাদিউল আউয়াল মাস শুরু হলে পবিত্র রমজান আসতে আর মাত্র চারটি চান্দ্র মাস বাকি থাকবে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানের অগ্রিম হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস পবিত্র রমজান শুরু হতে পারে। আর চান্দ্র পঞ্জিকা অনুযায়ী রমজান মাস ২৯ অথবা ৩০ দিনের হওয়ার ওপর ভিত্তি করে পবিত্র ঈদুল ফিতর ৯ অথবা ১০ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে পারে।

ইব্রাহিম আল জারওয়ান বলেন, “ইসলামি চান্দ্রবর্ষের অন্যতম প্রধান সৌন্দর্য হলো, কোনো জটিল বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ছাড়াই সাধারণ মানুষ চাঁদের বাহ্যিক আকৃতি ও দৃশ্যমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে মাসের অগ্রগতি বুঝতে পারে।”

শারজাহ স্পেস অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোনমি হাবের ভিন্ন মূল্যায়ন

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ ‘শারজাহ স্পেস অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোনমি হাব’ চাঁদ দেখার বিষয়ে কিছুটা ভিন্ন গাণিতিক মূল্যায়ন দিয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী:

  • আগামী ১১ অক্টোবর সূর্যাস্তের পর জমাদিউল আউয়াল মাসের সূচনাকারী নতুন চাঁদ খালি চোখে কিংবা সাধারণ অপটিক্যাল টেলিস্কোপে দেখা যাবে না। তবে অত্যন্ত উন্নতমানের আধুনিক অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফি প্রযুক্তি ব্যবহার করে সূর্যাস্তের আগেই আকাশে চাঁদ শনাক্ত করা সম্ভব হতে পারে।

  • যেসব দেশ বা সংস্থা মূলত জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাবের ওপর নির্ভর করে, সেখানে ১২ অক্টোবর থেকে জমাদিউল আউয়াল মাস শুরু হতে পারে।

  • অন্যদিকে, যেসব মুসলিম দেশে সূর্যাস্তের পর সরাসরি খালি চোখে কিংবা সাধারণ অপটিক্যাল টেলিস্কোপে চাঁদ দেখা আইনি বা ধর্মীয়ভাবে বাধ্যতামূলক, সেখানে মাসটি শুরু হতে পারে ১৩ অক্টোবর।

তবে বিশ্বের ধর্মীয় সংস্থা ও জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা একমত যে, এসব অগ্রিম হিসাব মূলত সম্ভাব্য তারিখ নির্দেশ করে। রমজান মাসের রোজা ও ঈদুল ফিতরের মূল তারিখ জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মাধ্যমেই চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency