প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ
ঋতু পরিবর্তন ও আবহাওয়ার তারতম্যের কারণে ঘরে ঘরে এখন সর্দি-কাশি, নাক বন্ধ এবং ঠান্ডা লাগার উপদ্রব দেখা দিচ্ছে। আজ হালকা জ্বর তো কাল তীব্র গলা ব্যথা, নাক দিয়ে অনবরত পানি পড়া কিংবা রাতে শোয়ার পর নাক বন্ধ হয়ে শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা তৈরি হচ্ছে। সেই সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে খুসখুসে শুকনো কাশি।
এই সাধারণ কিন্তু অস্বস্তিকর শারীরিক সমস্যাগুলো থেকে মুক্তি পেতে ঘরে থাকা নানা উপাদানে তৈরি সহজের ৫টি ঘরোয়া টোটকা অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে। জেনে নিন সমাধানগুলো:
এক কাপ পানিতে সামান্য যষ্টিমধু, কয়েকটি গোটা গোলমরিচ এবং ৮-১০টি তুলসীপাতা দিয়ে হালকা আঁচে ফোটাতে থাকুন। পানি ফুটে যখন অর্ধেকের মতো হয়ে আসবে, তখন নামিয়ে ছেঁকে নিন। হালকা গরম অবস্থায় ধীরে ধীরে এই পানীয় পান করলে গলা ব্যথা, গলার ভেতরে চুলকানি, স্বর বসে যাওয়া এবং নাক দিয়ে পানি পড়া দ্রুত বন্ধ হয়।
কালো তিল ক্যালসিয়াম, আয়রন ও উপকারী ফ্যাটে সমৃদ্ধ। প্রথমে কালো তিল শুকনো কড়াইতে হালকা ভেজে গুঁড়া করে নিতে হবে। এরপর আখের গুড় গলিয়ে ভাজা তিলের গুঁড়ার সঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। মিশ্রণটি হালকা ঠান্ডা হলে ছোট ছোট নাড়ুর আকারে তৈরি করে কাঁচের বয়ামে রেখে দেওয়া যায়। প্রতিদিন সকালে একটি করে নাড়ু খেলে সর্দি-কাশি ও বুকের অস্বস্তি দূর হয়।
এক গ্লাস পানিতে কিছুটা শুকনা আদার গুঁড়া এবং আস্ত ধনে বীজ দিয়ে কয়েক মিনিট ভালোভাবে ফুটিয়ে নিন। এরপর পানি ছেঁকে চায়ের মতো পান করুন। স্বাদ ও গুণ বাড়াতে এতে সামান্য মধু মিশিয়ে নেওয়া যায়। দিন দুইবার এই ভেষজ চা পান করলে দীর্ঘদিনের শুকনো কাশি ও অ্যালার্জির প্রকোপ কমে যায়।
বেসনের সঙ্গে খাঁটি দুধ, দেশি ঘি, কাঁচা হলুদ গুঁড়া এবং সামান্য গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে বিশেষ মিশ্রণ বা ‘বেসনের শিরা’ তৈরি করা যায়। ইচ্ছা হলে এতে সামান্য আদার রসও দেওয়া যায়। ঐতিহ্যবাহী এই পানীয় সর্দি-কাশি ও বুক জাম হয়ে যাওয়া কমাতে অত্যন্ত আরামদায়ক। দিনে দুইবার হালকা গরম অবস্থায় এটি পান করা ভালো।
ঠান্ডায় নাক পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে গরম পানির ভাপ বা স্টিম নেওয়া সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এ ছাড়া প্রতিদিন সকালে সামান্য কাঁচা আদার রসের সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেলে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং দ্রুত কাশি কমে যায়।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |