প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ
২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারা অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য এক বিশেষ সুযোগের ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষা প্রশাসন। এ বছর ফেল করা শিক্ষার্থীরা আগামী মাত্র এক মাসের মধ্যেই নতুন করে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। পরীক্ষার নতুন সময়সূচি ও পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা আগামী তিন দিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে ফলাফলের সার্বিক দিক নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, “এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার যেসব শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন, তারা নতুন করে ফরম পূরণ করে পুনরায় বিশেষ পরীক্ষায় বসতে পারবেন। আগামী তিন দিনের মধ্যে পরীক্ষার নতুন তারিখ প্রকাশসহ একটি বিস্তারিত গাইডলাইন দেওয়া হবে। এরপরই ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য ফরম পূরণ কার্যক্রম শুরু হবে। বিজ্ঞাপিত গাইডলাইনে ফরম পূরণের নিয়মাবলি, নির্দিষ্ট ফি এবং পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ তথ্য তুলে ধরা হবে।”
ফলাফলের সার্বিক পরিসংখ্যান ও তুলনামূলক ধস প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সর্বমোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাদের মধ্যে চূড়ান্তভাবে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী। অপরদিকে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জনে ব্যর্থ হয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন পরীক্ষার্থী।
এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। যা আগের বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের পাসের হার ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশের তুলনায় ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ কম।
জিপিএ-৫ এ এগিয়ে ছাত্ররা, অকৃতকার্যে পিছিয়ে এ বছর সর্বমোট জিপিএ-৫ (GPA-5) অর্জন করেছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে এবার ছাত্রীরা ছাত্রদের চেয়ে সামান্য পিছিয়ে পড়েছেন। মোট জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ২০ হাজার ৩৬৩ জন এবং ছাত্রী ১৯ হাজার ৭২১ জন।
তবে গড় পাসের হারের দিক থেকে ছাত্রীদের তুলনায় ছাত্রদের অকৃতকার্য হওয়ার হার আশঙ্কাজনকভাবে বেশি। প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, পরীক্ষায় অংশ নেওয়া মোট ছাত্রদের মধ্যে ৫২ দশমিক ২৫ শতাংশই ফেল করেছেন। বিপরীতে ছাত্রীদের অকৃতকার্য হওয়ার হার ৪৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |