| বঙ্গাব্দ

কাশ্মির হামলার জবাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের পাঁচ কড়া পদক্ষেপ

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 24-04-2025 ইং
  • 4706455 বার পঠিত
কাশ্মির হামলার জবাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের পাঁচ কড়া পদক্ষেপ
ছবির ক্যাপশন: কাশ্মির হামলার জবাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের পাঁচ কড়া পদক্ষেপ

কাশ্মির হামলার প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের পাঁচ কঠোর সিদ্ধান্ত: বাতিল হলো ইন্দুস পানি চুক্তি

ভারতের জম্মু-কাশ্মিরের পেহেলগামে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ২৬ জন নিরীহ মানুষ, যাদের বেশিরভাগই ছিলেন পর্যটক। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর গোটা দেশজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া, আর ক্ষোভের আগুনে জ্বলছে ভারতের রাজনীতি ও জনমত।

সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার সময় সৌদি আরব সফরে থাকা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সফর সংক্ষিপ্ত করে দ্রুত দেশে ফিরে আসেন। বুধবার (২৩ এপ্রিল) দেশে ফিরে জরুরি মন্ত্রিসভা বৈঠক ডেকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ ও কড়া কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন তিনি, যা দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।

মোদি সরকারের নেওয়া পাঁচ সিদ্ধান্ত:

১. ইন্দুস পানি চুক্তি বাতিল:
১৯৬০ সালে স্বাক্ষরিত ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার এই ঐতিহাসিক পানি চুক্তি এখন বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে পাকিস্তানে প্রবাহিত হওয়া সিন্ধু, চেনাব ও ঝেলম নদীর পানি নিয়ন্ত্রণে ভারতের পূর্ণ অধিকার প্রতিষ্ঠার ইঙ্গিত মিলেছে।

  1. সার্ক ভিসা নিষেধাজ্ঞা:
    পাকিস্তানের নাগরিকদের এখন থেকে সার্ক (দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা) প্ল্যাটফর্মের আওতায় আর ভারতের ভিসা দেওয়া হবে না।

  2. আটারি সীমান্ত বন্ধ:
    ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের আটারি সীমান্ত, যা ওয়াঘা সীমান্তের ভারতীয় অংশ হিসেবে পরিচিত, সেটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

  3. হাইকমিশন কর্মী প্রত্যাহার:
    ইসলামাবাদে অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের সব কূটনীতিক ও কর্মীদের ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  4. বর্তমান ভিসা বাতিল ও ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা:
    বর্তমানে ভারতে অবস্থানরত সব পাকিস্তানি নাগরিকের ভিসা বাতিল করে তাদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভারত ত্যাগ করার নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

ঘটনার পেছনে টিআরএফ?

ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, এই হামলার দায় স্বীকার করেছে কাশ্মিরভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘দ্য রেসিসটেন্স ফোর্স’ (TRF)। নিহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে বেছে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এমনকি হামলাকারীরা আগে নিশ্চিত হয়েছেন তারা হিন্দু না মুসলিম—তথ্য জানার পরই গুলি চালানো হয়।

সরকারের আনুষ্ঠানিক নীরবতা ও প্রশ্নবিদ্ধ তথ্যপ্রবাহ

উল্লেখযোগ্যভাবে, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার এখনও পর্যন্ত এই হামলার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো বিবৃতি দেয়নি। আহতদের সংখ্যাও স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি। তবে জাতীয় নিরাপত্তা, পররাষ্ট্রনীতি ও কূটনৈতিক মহলে ঘটনাটিকে ‘জলন্ত বারুদের স্তূপ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency