| বঙ্গাব্দ

সিলেট সীমান্তে মেঘালয়ের জৈন্তিয়া হিলসে রাত্রিকালীন কারফিউ জারি

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 09-05-2025 ইং
  • 6109919 বার পঠিত
সিলেট সীমান্তে মেঘালয়ের জৈন্তিয়া হিলসে রাত্রিকালীন কারফিউ জারি
ছবির ক্যাপশন: সিলেট সীমান্তে মেঘালয়ের জৈন্তিয়া হিলসে রাত্রিকালীন কারফিউ জারি

সিলেট সীমান্তে মেঘালয়ের জৈন্তিয়া হিলসে রাত্রিকালীন কারফিউ জারি, নিরাপত্তা উদ্বেগ তুঙ্গে

সিলেট সীমান্তসংলগ্ন ভারতের মেঘালয় রাজ্যের জৈন্তিয়া হিলস এলাকায় রাত্রিকালীন কারফিউ জারি করেছে ভারতীয় প্রশাসন। সীমান্তে অবৈধ কর্মকাণ্ড ও নিরাপত্তা হুমকির আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার (৯ মে) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পূর্ব জৈন্তিয়া হিলস জেলার ম্যাজিস্ট্রেট কারফিউ জারির আদেশ দেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সীমান্তবর্তী অঞ্চলে নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্য, চোরাকারবারী এবং অন্যান্য অবৈধ উপাদান সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব গোষ্ঠী আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবহার করে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, পূর্ব জৈন্তিয়া হিলস জেলার যেসব সীমান্তবর্তী এলাকা এখনো পুরোপুরি সীমানা প্রাচীর দিয়ে ঘেরা হয়নি, সেসব স্থানে অবৈধ অনুপ্রবেশের ঝুঁকি অনেক বেশি। পাহাড়ি অঞ্চল হওয়ায় এই এলাকাগুলোতে নজরদারি কঠিন এবং এটিই সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিচরণ ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছে প্রশাসন।

এই প্রেক্ষাপটে, রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত সীমান্তবর্তী এলাকায় কারফিউ জারি করা হয়েছে, যা সীমান্ত থেকে ৫০০ মিটার পর্যন্ত এলাকায় প্রযোজ্য হবে। এই সময়কালে সীমানা অতিক্রম, পাঁচ জন বা তার অধিক ব্যক্তি একসাথে চলাচল, কিংবা যেকোনো অননুমোদিত সমাবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

এ কারফিউ আদেশ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। স্থানীয় প্রশাসন বলছে, এটি একটি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ, যাতে করে সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকি প্রতিরোধ করা যায় এবং সীমান্তে স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।

বাংলাদেশের সিলেট সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোর মানুষ ভারতীয় এই কারফিউ আদেশের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছে। বিশেষ করে সীমান্তে বসবাসকারী স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।

এ ধরনের পদক্ষেপ দুই দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা এবং পারস্পরিক সম্পর্কের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সীমান্তবর্তী জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে উভয় দেশের প্রশাসনের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয় প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আরও পড়ুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency