| বঙ্গাব্দ

নেতানিয়াহুকে ‘মহান নায়ক’ বলে বিচার বাতিলের আহ্বান ট্রাম্পের

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 26-06-2025 ইং
  • 8908711 বার পঠিত
নেতানিয়াহুকে ‘মহান নায়ক’ বলে বিচার বাতিলের আহ্বান ট্রাম্পের
ছবির ক্যাপশন: নেতানিয়াহুকে ‘মহান নায়ক

🇺🇸 ট্রাম্পের সোশ্যাল পোস্টে বিতর্কিত মন্তব্য

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে 'মহান নায়ক' হিসেবে দেখছেন তিনি এবং তার বিরুদ্ধে চলমান দুর্নীতির মামলাগুলো ‘উইচ হান্ট’ বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ছাড়া কিছু নয়।

তিনি বলেন,

“নেতানিয়াহুর বিচার অবিলম্বে বাতিল করা উচিত অথবা তাকে ক্ষমা করে দেওয়া উচিত। তিনি ইসরায়েলের জন্য অসামান্য অবদান রেখেছেন।”

বুধবার (২৫ জুন), তিনি তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Truth Social-এ এসব মন্তব্য করেন।

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে কী অভিযোগ?

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে তিনটি পৃথক ফৌজদারি মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে:

অভিযোগব্যাখ্যা
ঘুষসংবাদমাধ্যম ও ব্যবসায়ী থেকে আর্থিক সুবিধা নেওয়া
প্রতারণাপদ ব্যবহার করে ব্যক্তিগত লাভবান হওয়া
বিশ্বাসভঙ্গরাষ্ট্রীয় দায়িত্বে থেকে স্বার্থের সংঘাত তৈরি
তার বিচার ২০২০ সালে শুরু হয় এবং ২০২5 সালের ৩ জুন থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, পুরো বিচার এক বছর পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে।

🇮🇱 প্রেসিডেন্ট হারজগের অবস্থান

ইসরায়েলের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইসহাক হারজগ সংবিধান অনুযায়ী নেতানিয়াহুকে ক্ষমা করার আইনগত ক্ষমতা রাখলেও তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন:

“এই মুহূর্তে সে বিষয়টি আলোচনায় নেই এবং এখন পর্যন্ত কেউ সেই আবেদন করেননি।”

ট্রাম্পের দাবি ও যুক্তি

ট্রাম্প বলেন:

“আমেরিকা ইসরায়েলকে রক্ষা করেছে, এখন আমেরিকাই নেতানিয়াহুকে রক্ষা করবে।”

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের এ ধরনের মন্তব্য আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে, তবে আইনি হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।

বিশ্লেষণ: রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নাকি ব্যক্তিগত সম্পর্ক?

বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতা পুরোনো। ট্রাম্পের আমলে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে জেরুজালেম স্বীকৃতি দেয় এবং গোলান মালভূমি ইসরায়েলের অংশ বলে ঘোষণা দেয়। এসব ঘটনার ধারাবাহিকতায় নেতানিয়াহুর পক্ষে তার এ মন্তব্য রাজনৈতিক কৌশল হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে।

FAQ: প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন

১. নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ সবচেয়ে বড়?
→ ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ, বিশেষত মিডিয়া মালিকদের কাছ থেকে সুবিধা আদায় করে অনুকূল সংবাদ প্রচারের চেষ্টা।

২. ট্রাম্প কীভাবে নেতানিয়াহুর বিচার বন্ধ করতে পারেন?
→ বাস্তবে তার কোনো আইনি এখতিয়ার নেই; শুধুই রাজনৈতিক বক্তব্য।

৩. প্রেসিডেন্ট হারজগ ক্ষমা করতে পারেন?
→ হ্যাঁ, তবে তিনি এখনও সেই পথে হাঁটছেন না।

প্রতিবেদক: BDS Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
খবর রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency