| বঙ্গাব্দ

জাতীয় পার্টির কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবিতে লিগ্যাল নোটিশ, তিন দিনের মধ্যে পদক্ষেপ না নিলে রিট

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 08-09-2025 ইং
  • 8611960 বার পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবিতে লিগ্যাল নোটিশ, তিন দিনের মধ্যে পদক্ষেপ না নিলে রিট
ছবির ক্যাপশন: জাতীয় পার্টির কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবিতে লিগ্যাল নোটিশ

সামরিক শাসনের উত্তরাধিকার বহন ও দুর্নীতির অভিযোগে জাতীয় পার্টির কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবিতে লিগ্যাল নোটিশ

প্রতিবেদনকারীর নাম:
বিডিএস বুলবুল আহমেদ

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবিতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের কাছে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে, দলটি সামরিক শাসনের উত্তরাধিকার বহন করছে, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত এবং গণতন্ত্রবিরোধী কার্যকলাপ পরিচালনা করছে।

নোটিশের বিস্তারিত

রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জুলাই আন্দোলনের সংগঠক ও এনসিপি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের রাজনৈতিক কর্মী হোসাইন মোহাম্মদ আনোয়ারের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট সালাহ উদ্দিন রিগ্যান এ নোটিশ পাঠান।

  • নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

  • তিন দিনের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হবে।

  • বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী সালাহ উদ্দিন রিগ্যান।

অভিযোগের ভিত্তি

লিগ্যাল নোটিশ ও পূর্ববর্তী আবেদনে বলা হয়:

  • জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে গণতন্ত্রের মূলধারা ক্ষুণ্ন করেছে।

  • বারবার নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করার ইতিহাস রয়েছে তাদের।

  • সামরিক শাসনের উত্তরাধিকার বহন করে তারা রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে কলুষিত করেছে।

  • দুর্নীতি, প্রশাসনিক অপব্যবহার ও জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডে দলটি ব্যাপকভাবে সমালোচিত।

নির্বাচন কমিশনে পূর্ববর্তী আবেদন

এর আগে গত ৩ সেপ্টেম্বর, রাজধানীর বংশালের বাসিন্দা হোসাইন মোহাম্মদ আনোয়ার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে জাতীয় পার্টির কার্যক্রম নিষিদ্ধের আবেদন করেন।

  • আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ১৭ বছরের দুঃশাসনের কারণে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ দেশ ত্যাগে বাধ্য হয়।

  • এরপর ছাত্র আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগকে সব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে নিষিদ্ধ করা হয়।

  • কিন্তু জাতীয় পার্টি বরাবরই আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক বৈধতাকে সমর্থন দিয়ে এসেছে।

বিশ্লেষণ

বাংলাদেশের রাজনীতিতে জাতীয় পার্টির ভূমিকা সবসময় বিতর্কিত। ১৯৮২ সালে সেনাপ্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ক্ষমতা দখলের মাধ্যমে দলটির উত্থান ঘটে।

  • ১৯৯০ সালের গণআন্দোলনে এরশাদের পতনের পরও দলটি সক্রিয় থাকে এবং বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতাসীন দলের সহায়ক হিসেবে কাজ করেছে।

  • সমালোচকরা মনে করেন, জাতীয় পার্টি আসলে সামরিক শাসনের একটি উত্তরাধিকারী দল।

  • গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ রক্ষায় এ ধরনের দলের বৈধতা নিয়ে এখন জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।


সূত্র

  1. জাগো নিউজ – লিগ্যাল নোটিশ পাঠানোর ঘটনা (৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫)।

  2. নির্বাচন কমিশনে জমা পড়া আবেদন – (৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, হোসাইন মোহাম্মদ আনোয়ারের আবেদনপত্র)।

    প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
    আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
খবর রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency