প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংখ্যানুপাতিক সংখ্যাগরিষ্ঠতা (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন/পিআর) নাকি বিদ্যমান পদ্ধতিতে হবে, সে সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক দলগুলোই নেবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি মনে করেন, এ বিষয়ে সরকারের অতিরিক্ত মন্তব্য না করাই ভালো।
রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে দ্য ডেইলি স্টারের সম্মেলন কক্ষে গবেষণা সংস্থা ইনোভেশনের জরিপ ফল প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
ইনোভেশনের জরিপে দেখা গেছে—
দেশের ৫৬ শতাংশ মানুষ পিআর পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত নন।
২১.৮ শতাংশ ভোটার চান নির্বাচনে পিআর ব্যবস্থা চালু হোক।
২২.২ শতাংশ ভোটার চান না পিআর ব্যবস্থা।
জরিপে অংশ নেন মোট ১০ হাজার ৪১৩ জন উত্তরদাতা।
এ ছাড়া জরিপে আরও বলা হয়, ৬৯.৯ শতাংশ উত্তরদাতা বিশ্বাস করেন একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করতে সক্ষম হবে। তবে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণকারীরা তুলনামূলকভাবে কম আস্থা প্রকাশ করেছেন।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন,
“জরিপের ফল বলছে, সরকারের ওপর জনগণের আস্থা আছে। জরিপে ৯৫ শতাংশ মানুষ ভোট দিতে চাওয়ার বিষয়টি প্রমাণ করে আসন্ন নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে। বাংলাদেশের কারও সাধ্য নেই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার। সবাই ভোট দিতে এলে ভোটটা ভালো হতেই বাধ্য।”
বাংলাদেশে নির্বাচন ব্যবস্থাকে ঘিরে পিআর (সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) বনাম প্রত্যক্ষ ভোটাধিকার ইস্যুটি নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
পিআর ব্যবস্থা চালু হলে ভোটের অনুপাতে সংসদে আসন বণ্টন করা সম্ভব, যা ছোট রাজনৈতিক দলগুলোকেও সুযোগ দেবে।
বিদ্যমান প্রত্যক্ষ ভোটাধিকার পদ্ধতি স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় প্রার্থীদের জয়ী হওয়ার সুযোগ রাখে।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এ বিষয়ে ঐকমত্য ছাড়া পিআর পদ্ধতি চালু করা কঠিন।
সরকার নিরপেক্ষ অবস্থানে থেকে মূল সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক দলের ওপর ছেড়ে দিতে চাইছে, যাতে নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক ও বিভাজন না বাড়ে।
গবেষণা সংস্থা ইনোভেশনের জরিপ ফল প্রকাশনা অনুষ্ঠান, দ্য ডেইলি স্টার সম্মেলন কক্ষ (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫)।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের বক্তব্য।
নির্বাচন ব্যবস্থা ও পিআর পদ্ধতি সংক্রান্ত বিভিন্ন একাডেমিক গবেষণা প্রতিবেদন (২০২০–২০২৪)।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |