প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
ঢাকা, ২২ মার্চ ২০২৬: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অভ্যন্তরীণ কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটি থেকে শুরু করে জাতীয় দলের নির্বাচক প্যানেল—সবখানেই নতুন নেতৃত্বের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। ইসতিয়াক সাদেকের পদত্যাগের পর গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির দায়িত্ব এখন আসিফ আকবরের কাঁধে, আর এই বিভাগের অপারেশন্স প্রধান হিসেবে রয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রস্তুতির এই সময়ে বড় খবর হলো, হাবিবুল বাশার আবারও ফিরতে পারেন নির্বাচক প্যানেলে, তবে এবার প্রধান নির্বাচক হিসেবে।
বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে ক্রিকেট ছিল নেহাতই শখের খেলা। ১৯০০ সালের সেই অপেশাদার ক্রিকেট থেকে ২০২৬ সালের আজকের এই কোটি টাকার বাণিজ্যিক ও টেকনিক্যাল বোর্ডে রূপান্তর—বাঙালির ক্রিকেটের এক বিশাল বিবর্তন। আগে নির্বাচক প্যানেল বা গেম ডেভেলপমেন্ট নিয়ে এত স্বচ্ছতা না থাকলেও, ২০২৬ সালের এই ডিজিটাল যুগে প্রতিটি সিদ্ধান্তই এখন ডেটা এবং অভিজ্ঞতার নিরিখে নেওয়া হচ্ছে। বিসিবি এখন কেবল একটি বোর্ড নয়, বরং এটি দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ গড়ার এক শক্তিশালী 'পাইপলাইন' বা সিস্টেম।
২০২৪ সালের শুরুতে মিনহাজুল আবেদীন নান্নু ও হাবিবুল বাশারকে নির্বাচক প্যানেল থেকে সরিয়ে গেম ডেভেলপমেন্টে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তখন গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর ওপর প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। তবে ২০২৬ সালের মার্চ মাসেই লিপুর চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে চলায় আবারও আলোচনায় সাবেক দুই অধিনায়ক।
পরিবর্তনের সম্ভাব্য চিত্র:
প্রধান নির্বাচক পদে হাবিবুল বাশার: বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর উত্তরসূরি হিসেবে হাবিবুল বাশার সুমনের প্রধান নির্বাচক হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
গেম ডেভেলপমেন্টে মিনহাজুল আবেদীন নান্নু: বাশার যদি প্রধান নির্বাচক হন, তবে গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির হেড অব অপারেশন্সের শূন্য পদে দেখা যেতে পারে মিনহাজুল আবেদীন নান্নুকে। নান্নু নিজেও জানিয়েছেন, বিসিবি থেকে প্রস্তাব আসলে তিনি গুরুত্বের সাথে ভেবে দেখবেন।
আসিফ আকবরের চ্যালেঞ্জ: বর্তমান গেম ডেভেলপমেন্ট চেয়ারম্যান আসিফ আকবরের সামনে এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো তৃণমূল থেকে মানসম্মত ক্রিকেটার তুলে আনার সিস্টেম বা 'পাইপলাইন' তৈরি করা।
গুগল এনালাইসিস এবং ২০২৬ সালের বিসিবি অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রেন্ড অনুযায়ী, বোর্ড এখন অভিজ্ঞতার পাশাপাশি প্রশাসনিক দক্ষতার ওপর জোর দিচ্ছে। ১৯০০ সালের সেই নির্বাচক প্রথা থেকে ২০২৬ সালের এই 'ওপেন সার্কুলার' প্রথা (যেখানে বিসিবি নির্বাচক পদের জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েছে) প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশ ক্রিকেট এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি পেশাদার ও স্বচ্ছ।
উপসংহার: বিসিবির এই রদবদল কেবল নাম পরিবর্তন নয়, বরং ২০২৬ বিশ্বকাপের আগে একটি শক্তিশালী দল গঠনের মিশন। অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের প্রশাসনিক কাজে লাগানো বিসিবির একটি স্মার্ট মুভ। গাধার মতো পরিশ্রম না করে সঠিক পজিশনে সঠিক মানুষকে বসিয়ে একটি জুতসই 'সিস্টেম' তৈরি করাই হবে আগামী দিনের সাফল্যের মূলমন্ত্র।
সূত্র: বিসিবি অফিশিয়াল এইচআর পোর্টাল, ইএসপিএন ক্রিকইনফো ২০২৬ আর্কাইভ, ডেইলি সান স্পোর্টস ডেস্ক, প্রথম আলো এবং ২০২৬ সালের গুগল ক্রিকেট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ইনসাইট।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |