২২ বছর পর গ্রেফতার হলেন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মো. ফিরোজ হাওলাদার
২২ বছর পলাতক থাকার পর অবশেষে গ্রেফতার হলেন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী মো. ফিরোজ হাওলাদার। পটুয়াখালী জেলা র্যাব-৮ এর সদস্যরা শুক্রবার (৭ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে পটুয়াখালীর সূর্যমনি এলাকা থেকে ফিরোজকে গ্রেফতার করে। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। ফিরোজ হাওলাদারের বিরুদ্ধে ২০০৩ সালে পটুয়াখালীর বাউফল থানায় একটি গুরুতর অপরাধের মামলা দায়ের করা হয়েছিল।
ফিরোজের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে, ২০০৩ সালে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তিনি এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে ও এলোপাথাড়ি কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখম করেন। এই ঘটনায় ভিকটিমের পায়ের রগ কেটে দেওয়ার পর গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন তিনি। ভিকটিমের স্ত্রী জোহরা বেগম বাদী হয়ে বাউফল থানায় মামলা দায়ের করেন, যার জিআর নং ছিল ২৯৪/০৩। মামলার পর পুলিশ অপরাধী ফিরোজ হাওলাদারসহ অন্যদের গ্রেফতার করলেও ফিরোজ পলাতক হয়ে যান।
পলাতক অবস্থায় ২০০৭ সালে দায়রা জজ আদালত ফিরোজ হাওলাদারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার দণ্ড প্রদান করেন। সেই সময় থেকে ফিরোজ ছিল পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরবন্দি। দীর্ঘ সময় পর, বৃহস্পতিবার রাতে র্যাব-৮ পটুয়াখালী ক্যাম্পের সদস্যরা এক অভিযান পরিচালনা করে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ফিরোজকে গ্রেফতার করে।
র্যাব-৮ পটুয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র এএসপি তুহিন রেজা জানিয়েছেন, ফিরোজের গ্রেফতার আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে একটি বড় সাফল্য। তিনি আরো বলেন, ফিরোজ দীর্ঘদিন পলাতক থাকার কারণে আইনের হাত থেকে রেহাই পেয়ে যাননি এবং তার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
এছাড়া, র্যাব সদস্যরা আরও জানান, ফিরোজের গ্রেফতার পটুয়াখালী অঞ্চলের জনগণের মধ্যে একটি বার্তা পৌঁছাবে যে, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয় এবং আইন প্রয়োগকারী বাহিনী কোনো অপরাধীকে ছাড় দেবে না। তাদের কার্যক্রমের ফলে এই এলাকার নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে।
এখন, ফিরোজ হাওলাদারকে আদালতে সোপর্দ করে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২২ বছর পর তার গ্রেফতার হওয়া আইনপ্রণয়নকারীদের ও পটুয়াখালী বাসীদের কাছে একটি বড় সাফল্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |