| বঙ্গাব্দ

হজের বয়সসীমায় বড় পরিবর্তন: ১৫ বছরের বিধিনিষেধ তুলে নিল সৌদি আরব | ২০২৬

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 03-05-2026 ইং
  • 28703 বার পঠিত
হজের বয়সসীমায় বড় পরিবর্তন: ১৫ বছরের বিধিনিষেধ তুলে নিল সৌদি আরব | ২০২৬
ছবির ক্যাপশন: হজ

পরিবারসহ হজের সুযোগ: ১৫ বছরের বয়সসীমা প্রত্যাহার করল সৌদি আরব

বিডিএস নিউজ ডেস্ক | ০৩ মে ২০২৬

রিয়াদ: পবিত্র হজ পালনের ক্ষেত্রে সম্প্রতি আরোপিত ১৫ বছরের সর্বনিম্ন বয়সসীমা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। বিতর্কিত এই বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করে পূর্বের নীতি পুনর্বহাল করার ফলে এখন থেকে ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশু ও কিশোররা পবিত্র হজ পালনের সুযোগ পাবে।

১. একদিন আগেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী এই বিধিনিষেধ ৩ মে থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের একদিন আগেই সৌদি সরকার এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার ঘোষণা দেয়। বৈশ্বিক মুসলিম সম্প্রদায় এবং বিভিন্ন দেশের হজ এজেন্সির পক্ষ থেকে আসা অনুরোধ ও চাপের মুখে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

২. বাতিল হওয়া ভিসা পুনরায় চালু

পাকিস্তানের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ (পিএএ) এবং হজ অধিদপ্তর এই নীতি পরিবর্তনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। জানানো হয়েছে যে:

  • ১৫ বছরের কম বয়সী হওয়ার কারণে ইতিপূর্বে যেসকল হজযাত্রীর ভিসা বাতিল বা প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল, সেগুলো পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হবে।

  • ক্ষতিগ্রস্ত হজযাত্রীদের জমাকৃত অর্থ ফেরত দেওয়ার পূর্ববর্তী প্রক্রিয়া স্থগিত করে এখন তাদের হজ যাত্রার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।

৩. পাকিস্তান ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট

চলতি বছর পাকিস্তান থেকে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রায় ১ লক্ষ ১৯ হাজার হজযাত্রীর সৌদি আরব যাওয়ার কথা রয়েছে। গত ১৮ এপ্রিল থেকে হজের ফ্লাইট অপারেশন শুরু হয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে যেসকল পাকিস্তানি পরিবার তাদের সন্তানদের নিয়ে হজে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন, তাদের অনিশ্চয়তা দূর হলো।

৪. কেন এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ?

মন্ত্রণালয়ের এই পদক্ষেপের ফলে ১২ থেকে ১৫ বছর বয়সী কিশোররা এখন কোনো বাধা ছাড়াই তাদের পরিবারের সঙ্গে হজ কাফেলায় অংশ নিতে পারবে। এটি বিশেষ করে সেই সকল অভিবাসী ও স্থানীয় পরিবারের জন্য বড় সুবিধা, যারা দীর্ঘ দিন ধরে সন্তানদের সাথে নিয়ে হজ পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।


বিশ্লেষকের পর্যবেক্ষণ

হজের মতো একটি আবেগঘন ইবাদতে পরিবারের সকল সদস্যের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সৌদি সরকারের এই নমনীয়তা প্রমাণ করে যে তারা হজযাত্রীদের সুবিধা ও ধর্মীয় আবেগকে প্রাধান্য দিচ্ছে। বিশেষ করে ২০২৬ সালের হজ মৌসুমে বড় ধরনের ভিড় সামলাতে প্রযুক্তির পাশাপাশি নীতিমালার এই সংস্কার ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।


তথ্যসূত্র:

  1. জিও নিউজ (Geo News)।

  2. পাকিস্তান হজ অধিদপ্তর (Directorate of Hajj)।

  3. সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় (Ministry of Hajj and Umrah)।


নিউজ এডিটর: বিডিএস বুলবুল আহমেদ

সিনিয়র এসইও কনসালট্যান্ট ও ডিজিটাল পাবলিশার

ওয়েবসাইট: bdsbulbulahmed.com

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency