আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বাংলাদেশ প্রতিদিন
প্রকাশিত: ৫ জুলাই, ২০২৬
চীন ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যকার ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও ‘দীর্ঘমেয়াদি’, ‘সুদৃঢ়’ এবং ‘স্থিতিশীল’ উন্নয়নের দিকে নিয়ে যেতে উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের সঙ্গে একযোগে কাজ করার তীব্র আগ্রহ প্রকাশ করেছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
আজ রোববার (৫ জুলাই) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (KCNA) বেইজিং ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যকার এই শীর্ষ কূটনৈতিক বার্তা বিনিময়ের তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।
চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (CCP) ১০৫তম ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন চীনের উদ্দেশ্যে একটি আন্তরিক অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছিলেন। বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে সেই বার্তার আনুষ্ঠানিক জবাবেই প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
কিম জং উনকে ‘আন্তরিক’ ধন্যবাদ জানিয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট তার বার্তায় বলেন, উত্তর কোরিয়ার ‘ওয়ার্কার্স পার্টি অব কোরিয়া’ এবং চীনের ‘কমিউনিস্ট পার্টি’ উভয়ই আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত মার্ক্সবাদী ক্ষমতাসীন দল। আদর্শিক দিক থেকে দুই দেশের এই মিল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করে।
অভিনন্দন বার্তায় শি জিনপিং সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেন:
“আমি চীন ও উত্তর কোরিয়ার সম্পর্ককে একটি দীর্ঘমেয়াদি, সুদৃঢ় ও স্থিতিশীল উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। এর মাধ্যমে আমি দুই দেশের সমাজতান্ত্রিক উদ্দেশ্যের একটি টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত উন্নয়নকে তরান্বিত করতে চাই।”
আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দুই শীর্ষ নেতার এই বার্তা বিনিময় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ সময়ে এলো। আগামী ১১ জুলাই উত্তর কোরিয়া ও চীনের মধ্যকার ঐতিহাসিক ‘বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহায়তা চুক্তি’র ৬৫তম গৌরবময় বার্ষিকী উদযাপিত হতে যাচ্ছে। এই বিশেষ ও ঐতিহাসিক মুহূর্তের ঠিক আগেই দুই দেশের শীর্ষ নেতার মধ্যে এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ বার্তা বিনিময় এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করছে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত জুনে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে দুই দিনের একটি অত্যন্ত সফল ও গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সফর সম্পন্ন করেন। গত সাত বছরের মধ্যে এটিই ছিল কোনো চীনা প্রেসিডেন্টের প্রথম উত্তর কোরিয়া সফর, যা দুই দেশের অর্থনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে।
মূল লক্ষ্য: চীন ও উত্তর কোরিয়ার সম্পর্ককে আরও দীর্ঘমেয়াদি ও স্থিতিশীল করার প্রত্যয় শি জিনপিংয়ের।
উপলক্ষ: চীনা কমিউনিস্ট পার্টির ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কিম জং উনের অভিনন্দন বার্তার জবাব।
আদর্শিক ভিত্তি: দুই দেশই মার্ক্সবাদী ক্ষমতাসীন দল হিসেবে সমাজতান্ত্রিক উদ্দেশ্য সফল করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ।
আসন্ন মহোৎসব: আগামী ১১ জুলাই উদযাপিত হবে চীন-উত্তর কোরিয়া পারস্পরিক সহায়তা চুক্তির ৬৫ বছর।
কূটনৈতিক প্রেক্ষাপট: গত জুনেই পিয়ংইয়ংয়ে ৭ বছরের মধ্যে প্রথম ঐতিহাসিক রাষ্ট্রীয় সফর শেষ করেন শি জিনপিং।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | দূরপ্রাচ্য, চীন ও উত্তর এশিয়া সামরিক কৌশল বিভাগ
চীন ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যকার ঐতিহাসিক ‘পারস্পরিক সহায়তা চুক্তি’র ৬৫তম বার্ষিকীর লাইভ কভারেজ, পিয়ংইয়ংয়ের ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা এড়াতে বেইজিংয়ের নতুন অর্থনৈতিক রুট, কোরিয় উপদ্বীপে মার্কিন-দক্ষিণ কোরিয়া যৌথ সামরিক মহড়ার বিপরীতে চীন-উত্তর কোরিয়ার প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান এবং আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতি খাতের সব এক্সক্লুসিভ ব্রেকিং নিউজের দ্রুত আপডেটের জন্য নিয়মিত ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |