| বঙ্গাব্দ

ট্রফি আনতে না পারায় দুঃখপ্রকাশ! স্কালোনির আবেগঘন বার্তায় চুক্তি নিয়ে ধোঁয়াশা

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 27-07-2026 ইং
  • 1344516 বার পঠিত
ট্রফি আনতে না পারায় দুঃখপ্রকাশ! স্কালোনির আবেগঘন বার্তায় চুক্তি নিয়ে ধোঁয়াশা
ছবির ক্যাপশন: ট্রফি আনতে না পারায় দুঃখপ্রকাশ

বিশ্বকাপ হারের পর ঘরের মাঠে স্কালোনি: আবেগে ভেসে আর্জেন্টিনা কোচের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন ধোঁয়াশা

ক্রীড়া ও ফুটবল বিশ্ব সংক্রান্ত ডেস্ক

২৭ জুলাই, ২০২৬

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে বেদনাদায়ক হারের ঠিক এক সপ্তাহ পর নিজের জন্মশহর পুহাতো (Pujato) থেকে ভক্তদের উদ্দেশ্যে একটি আবেগঘন ও হৃদয়স্পর্শী বার্তা দিয়েছেন আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি। টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জেতার ইতিহাস গড়ার স্বপ্নভঙ্গের তীব্র হতাশার মাঝেও পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে নিঃশর্ত সমর্থনের জন্য ভক্তদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপের রেশ কাটতে না কাটতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি বার্তার মাধ্যমে এই আর্জেন্টাইন মাস্টারমাইন্ড তাঁর ভেতরের কষ্ট, অভিমান এবং খেলোয়াড়দের প্রতি গর্বের কথা তুলে ধরেন।

স্মার্ট সারসংক্ষেপ (Quick Takeaways)

  • ক্ষমা প্রার্থনা ও বার্তা: ইনস্টাগ্রাম বার্তায় স্কালোনি লিখেছেন— "আমি দুঃখিত, আপনাদের জন্য আরেকটা কাপ আনতে পারিনি।"

  • আমার যোদ্ধা’: হার সত্ত্বেও খেলোয়াড়দের প্রতি অগাধ ভালোবাসা প্রকাশ করে স্কালোনি জানান, স্ত্রীকে তিনি প্রায়ই বলতেন এই খেলোয়াড়রা তাঁর একেকজন যোদ্ধা।

  • সমালোচকদের জবাব: টুর্নামেন্ট চলাকালে দূর থেকে সমালোচনা করা মানুষদের কাছ থেকে পাওয়া ‘ঠান্ডা পানির ঝাপটা’ বা অনাকাঙ্ক্ষিত বাধা পেরিয়ে আসাকেই দলের আসল ট্রফি হিসেবে দেখেছেন তিনি।

  • ভবিষ্যৎ নিয়ে ধোঁয়াশা: চলতি ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে এএফএ (AFA)-র সঙ্গে স্কালোনির চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে; মেয়াদ শেষে সরে দাঁড়ানোর গুঞ্জন সত্য হয় কি না, তা নিয়ে ফের জল্পনা তুঙ্গে।

‘যার একজন আর্জেন্টাইন বন্ধু আছে, তার কাছে একটা সম্পদ আছে’

ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ফাইনাল পরবর্তী আবেগঘন মানসিক পরিস্থিতির কথা বর্ণনা করতে গিয়ে ৪৮ বছর বয়সী এই কোচ লেখেন, বর্তমান সময়টা তাঁর কাছে "দুঃখ আর আনন্দ একসঙ্গে মিশে গেছে, চোখের জল আর হাসি, যন্ত্রণা আর প্রশান্তি" হয়ে দেখা দিয়েছে।

খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (AFA) পর্দার আড়ালের কর্মীদের ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি পোস্টের শেষ ভাগে একটি বিশেষ বার্তা যোগ করেন তিনি, যা মুহূর্তেই সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়:

লিওনেল স্কালোনি (প্রধান কোচ, আর্জেন্টিনা):

"যার একজন আর্জেন্টাইন বন্ধু আছে, তার কাছে আসলে একটি মূল্যবান সম্পদ আছে।"

স্কালোনির কোচিং ক্যারিয়ার ও চুক্তির বর্তমান অবস্থা:
┌─────────────────────────────────────────────────────────────────────────┐
│ • মেয়াদের সময়সীমা : ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ।       │
│ • এএফএ (AFA)-র প্রস্তাব: আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত │
│                     চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।                 │
│ • স্কালোনির মনোভাব : চলতি বছরের শুরুতে চুক্তি না বাড়ানোর ইঙ্গিত দিলেও     │
│                     চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো ঝুলে রয়েছে।                     │
└─────────────────────────────────────────────────────────────────────────┘

স্কালোনির ভবিষ্যৎ ঘিরে নতুন জল্পনা

বিশ্বকাপের পর দেওয়া এই আবেগঘন বার্তাটি স্কালোনির দায়িত্ব ছাড়ার পূর্বসংকেত কি না—তা নিয়ে আর্জেন্টাইন ফুটবল অঙ্গনে গুঞ্জন নতুন করে চাঙ্গা হয়েছে। চলতি বছরের শুরুর দিকেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, বিশ্বমঞ্চের এই আসর শেষে তিনি কিছুটা বিরতি নিতে পারেন।

তবে এএফএ সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া ও পুরো নীতিনির্ধারক মহল স্কালোনিকে কোনোভাবেই ছাড়তে নারাজ। ২০৩০ সালে শতবর্ষী ফিফা বিশ্বকাপের জন্য স্কালোনিকেই ডাগআউটে বহাল রাখতে ৪ বছরের জন্য নতুন চুক্তির প্রস্তাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে এএফএ।

গভীর ক্রীড়া ও কৌশলগত বিশ্লেষণ (In-Depth Analytical Breakdown)

┌─────────────────────────────────────────────────────────────────────────┐
│                    আলবিসেলেস্তেদের পরবর্তী অধ্যায়                        │
├─────────────────────────────────────────────────────────────────────────┤
│ • একটি সফল যুগের ট্রানজিশন: লিওনেল মেসির সম্ভাব্য বিদায় এবং স্কালোনির   │
│   ভবিষ্যৎ একসঙ্গে যুক্ত হওয়ায় আর্জেন্টিনা ফুটবলে বড় পরিবর্তনের হাওয়া।    │
│ • তরুণ প্রজন্মের ভিত্তি: ফাইনালে হারলেও স্কালোনির গড়ে তোলা তরুণেরা   │
│   ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্ত ভিত গড়ে দিয়ে গেছে।                          │
└─────────────────────────────────────────────────────────────────────────┘

১. ভক্তদের প্রতি জবাবদিহিতা

আর্জেন্টাইন ফুটবল সংস্কৃতিতে সমর্থকদের আবেগ আকাশচুম্বী। ফাইনালের ব্যর্থতার পর লোকচক্ষুর অন্তরালে না গিয়ে সরাসরি সমর্থকদের মুখোমুখি হওয়া এবং ব্যর্থতার দায় কাঁধে নেওয়া স্কালোনির পরিণত রাজনৈতিক ও পেশাদার ব্যক্তিত্বকেই ফুটিয়ে তোলে।

২. স্কালোনেতা (La Scaloneta)-র ভবিষ্যৎ

স্কালোনি শেষ পর্যন্ত অবস্থান ধরে না রাখলে আর্জেন্টিনা ফুটবল দল তাদের ইতিহাসের অন্যতম সফল কোচিং যুগের ইতি দেখতে পারে, যা পরবর্তী কোপা আমেরিকা ও দল পুনর্গঠনে বড় প্রভাব ফেলবে।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
তাজা রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency