ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানে মার্কিন সামরিক বাহিনীর গোলাবারুদ ও অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের তীব্র ঘাটতি বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান কেইন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি এই পরিস্থিতির ভয়াবহতা সম্পর্কে অবহিত করেছেন তিনি।
বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এক উচ্চপদস্থ মার্কিন কর্মকর্তা এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ’ (CSIS)-এর সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণেও একই ধরনের আশঙ্কাজনক চিত্র উঠে এসেছে।
তাদের রিপোর্ট অনুযায়ী:
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্যাট্রিয়ট (Patriot) এবং থাড (THAAD) ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসছে।
পূর্বের বিভিন্ন সংঘাতের কারণে এমনিতেই আমেরিকার এই আকাশ সুরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কম ছিল, যা বর্তমান অভিযানে আরও সংকটজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।
সিএসআইএস-এর বিশ্লেষণে আরও উল্লেখ করা হয় যে, মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত ও যুদ্ধ পরিস্থিতি যদি দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত থাকে, তবে অস্ত্রের এই চরম ঘাটতি ঐ অঞ্চলে নিয়োজিত হাজার হাজার মার্কিন সেনা ও সামরিক ঘাঁটিগুলোকে সরাসরি শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখেই ফেলে দেবে।
অস্ত্রের সরবরাহ ধরে রাখতে না পারলে এবং প্রতিরক্ষামূলক ইন্টারসেপ্টর ফুরিয়ে গেলে মার্কিন বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে তাদের অবস্থান রক্ষা করতে গিয়ে বড় ধরনের সামরিক বিপর্যয় ও ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |