| বঙ্গাব্দ

কুয়াকাটায় জেলের জালে ৪৬ মণ ইলিশ: মহিপুর বন্দরে ৪৮ লাখ টাকায় বিক্রি

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 08-08-2026 ইং
  • 1608783 বার পঠিত
কুয়াকাটায় জেলের জালে ৪৬ মণ ইলিশ: মহিপুর বন্দরে ৪৮ লাখ টাকায় বিক্রি
ছবির ক্যাপশন: মহিপুর বন্দরে ৪৮ লাখ টাকায় বিক্রি

একবার জাল ফেলতেই মিলল ২ হাজার ২০০ ইলিশ: দীর্ঘ লোকসানের পর জেলেদের মুখে হাসি

অর্থনীতি ও উপকূলীয় সংবাদ

৮ আগস্ট, ২০২৬

পটুয়াখালীর কুয়াকাটাসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে একটি মাছ ধরার ট্রলারে এক টানে ধরা পড়েছে ৪৬ মণ ইলিশ। শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে মহিপুর মৎস্য বন্দরের আড়তে নিলামে মাছগুলো মোট ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। দীর্ঘদিন পর একটিমাত্র ট্রলারে এত বিপুল পরিমাণ ইলিশ পাওয়ার ঘটনায় স্থানীয় জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে।

স্মার্ট সারসংক্ষেপ 

  • বিপুল পরিমাণ ইলিশ: পায়রা সমুদ্রবন্দরের শেষ বয়া সংলগ্ন গভীর সাগরে ‘এফবি জুনাইদ’ নামের ট্রলারে জাল ফেলতেই প্রায় ২ হাজার ২০০টি (মোট ৪৬ মণ) ইলিশ ধরা পড়ে।

  • নিলামে আকাশচুম্বী দাম: মহিপুর বন্দরের মনোয়ারা ফিশ আড়তে নিলামের মাধ্যমে মাছগুলো ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়।

  • আকারের ভিত্তিতে দামের বিন্যাস:

    • ১ কেজি বা তার বেশি ওজনের ২৪ মণ ইলিশ: প্রতি মণ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা দরে মোট ২৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

    • ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ২২ মণ ইলিশ: প্রতি মণ ৯৫ হাজার টাকা দরে মোট ২০ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

  • জেলেদের স্বস্তি: মাঝি আলমগীরের ভাষ্যমতে, দীর্ঘ পাঁচ বছর পর একসঙ্গে এত বড় চালানের ইলিশ পেয়ে তারা অতীতের সব লোকসান পুষিয়ে নেওয়ার আশা দেখছেন।

দীর্ঘ খরা কাটিয়ে বড় ইলিশের দেখা ও বাজারদর

মহিপুর মৎস্য বন্দরের মনোয়ারা ফিশের ম্যানেজার সগির আকন জানান, সচরাচর একটি ট্রলারে একসঙ্গে এত বড় আকারের ইলিশ পাওয়া যায় না। বর্তমানে বাজারে ইলিশের দাম চড়া থাকায় জেলেরা বেশ ভালো মূল্য পেয়েছেন। ট্রলারটির মাঝি আলমগীর অত্যন্ত আনন্দিত হয়ে জানান, সাগরে দীর্ঘদিন কাঙ্ক্ষিত মাছ না পেয়ে তারা লোকসানে ছিলেন, তবে এবারের এই বড় চালান তাদের ভাগ্য ঘুরিয়ে দিতে পারে।

কুয়াকাটার মহিপুর মৎস্য বন্দরে ইলিশের রেকর্ড বিক্রি (৭ আগস্ট ২০২৬):
┌─────────────────────────────────────────────────────────────────────────────┐
│ • ট্রলারের নাম    : এফবি জুনাইদ (মাঝি: আলমগীর)।                             │
│ • মোট পরিমাণ     : ৪৬ মণ (প্রায় ২,২০০ পিস ইলিশ)।                           │
│ • মোট বিক্রয় মূল্য : ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা।                                 │
│ • ১ কেজি+ সাইজ  : ২৪ মণ (প্রতি মণ ১,১৫,০০০ টাকা)।                         │
│ • ৮০০-৯০০ গ্রাম  : ২২ মণ (প্রতি মণ ৯৫,০০০ টাকা)।                           │
└─────────────────────────────────────────────────────────────────────────────┘

বিশেষজ্ঞ ও মৎস্য কর্মকর্তার মতামত

‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান একে আশাব্যঞ্জক বললেও সতর্ক করে জানান যে, একদিনের এই বড় প্রাপ্তিকে সামগ্রিক ইলিশ প্রাচুর্যের চূড়ান্ত সূচক হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইলিশের এই ধারা টিকিয়ে রাখতে প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকা এবং সংরক্ষণ আইন কঠোরভাবে মেনে চলা জরুরি।

এদিকে কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, কিছুদিন সাগরে ইলিশের খরা চললেও বর্তমানে জেলেদের জালে ভালো ইলিশ ধরা পড়ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে আগামীতে আরও বেশি ইলিশ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা দেশের সামগ্রিক মৎস্য অর্থনীতিকে চাঙ্গা করবে।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency