নেপালে পাহাড়ি ঢলের গতিপথ কোন দিকে, পদ্মায় এসে পৌঁছাবে?
নেপালে রেকর্ড পরিমাণ অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করার পর সেই পানি ভারতের কোশী ও গণ্ডক নদী হয়ে গঙ্গা নদীর দিকে ধাবিত হচ্ছে। জলবিদ্যুৎ ও নদী বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই অতিরিক্ত পানিপ্রবাহ গঙ্গা নদী দিয়ে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের পদ্মা নদীতে প্রবেশ করার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশে বন্যার বড় কোনো ঝুঁকি তৈরি হবে কি না এবং ঢলের গতিপথ কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে, তা নিয়ে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নিয়মিত পর্যবেক্ষণ চালাচ্ছে।
ঢলের গতিপথ ও নদীপথের সংযোগ
হিমালয় থেকে উৎপন্ন হওয়া নেপালের প্রধান নদীগুলোর পানি সরাসরি ভারতের গঙ্গা অববাহিকায় গিয়ে মেশে, যা পরে বাংলাদেশে পদ্মা নদী নামে পরিচিত।
উৎস থেকে ভারতে প্রবেশ: নেপালের কোশী ও গণ্ডক নদীর পানি সীমান্ত পার হয়ে ভারতের বিহার ও উত্তরপ্রদেশে প্রবেশ করেছে।
গঙ্গা নদী হয়ে পদ্মায়: এই অতিরিক্ত পানি গঙ্গা নদীর মূল প্রবাহে যুক্ত হয়ে ভারতের ফারাক্কা পয়েন্টের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
বাংলাদেশে আগমন: ফারাক্কা ব্যারাজ অতিক্রম করে এই পানি বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী জেলা দিয়ে পদ্মা নদীতে এসে পৌঁছাবে।
বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রভাব ও পূর্বাভাস
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের ফারাক্কা ও গঙ্গার অববাহিক অঞ্চলে পানি ধারণের ক্ষমতার ওপর নির্ভর করছে বাংলাদেশে প্লাবনের মাত্রা।
| বিষয় | হালনাগাদ পরিস্থিতি ও বিশ্লেষণ |
| ঢলের মূল পথ | নেপাল ➔ ভারত (কোশী/গণ্ডক ও গঙ্গা) ➔ বাংলাদেশ (পদ্মা)। |
| বাংলাদেশের অঞ্চল | চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা ও কুষ্টিয়া সংলগ্ন পদ্মা অববাহিকা। |
| ঝুঁকির মাত্রা | অতিরিক্ত পানি পদ্মায় এলে চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা। |
কী পয়েন্ট: সার্বক্ষণিক নজরদারিতে নদী অববাহিকা
নেপালের এই পাহাড়ি ঢলের পানি পদ্মায় পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। গঙ্গার পানি সমতল বৃদ্ধির হারের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ অংশ প্লাবিত হবে কি না তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।
পাউবো জানিয়েছে, উত্তরাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের পদ্মাপাড়ের অধিবাসীদের আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় নদী তীরবর্তী জেলাগুলোতে সার্বক্ষণিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি বজায় রাখা হয়েছে।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |