বিশ্বব্যাপী পালিত হল ‘আর্থ আওয়ার’ ২০২৫: ‘দ্য পাওয়ার অব নেচার’ প্রতিপাদ্য
বিশ্ব পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে প্রতিবছরের মতো এবারও পালিত হল ‘আর্থ আওয়ার’ (Earth Hour)। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘দ্য পাওয়ার অব নেচার’ (The Power of Nature), যার মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষায় প্রকৃতির শক্তির গুরুত্ব এবং আমাদের collective responsibility-এর প্রতি সচেতনতা তৈরি করার লক্ষ্য ছিল।
২২ মার্চ, শনিবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত, প্রতিটি দেশের নিজস্ব টাইম জোন অনুযায়ী, বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা ও বাসস্থানের আলো নিভিয়ে রাখা হয়। এর মধ্যে লন্ডনের বাকিংহাম প্যালেস, দিল্লির ইন্ডিয়া গেট, নিউইয়র্কের এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংসহ বিশ্বের নানা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এক ঘণ্টার জন্য অন্ধকারে ডুবে যায়। শুধু সরকারি এবং ঐতিহাসিক স্থাপনা নয়, বিভিন্ন দেশের সাধারণ নাগরিকরাও ঘরের বাতি নিভিয়ে এই আয়োজনে সংহতি জানান।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, যেমন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, জাপান, ব্রাজিল ও পর্তুগাল, ব্যাপক আয়োজনের মাধ্যমে এই দিবসটি পালন করে। মানুষের জীবনে প্রকৃতির গুরুত্ব তুলে ধরে, প্রকৃতির রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রয়োজনীয়তা আবহমান বার্তা হিসেবে দেওয়া হয়।
আর্থ আওয়ারের উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ডওয়াইড ফান্ড ফর নেচার (WWF), যা পরিবেশ রক্ষায় কাজ করে থাকে, এটি ২০০৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে প্রথমবারের মতো আয়োজন করেছিল। এরপর থেকে প্রতিবছর ২২ মার্চ বিশ্বের ১৯০টিরও বেশি দেশ এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে, যেখানে সরকার, প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ জনগণ সকলেই প্রকৃতির রক্ষায় একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার করে।
এবারের ‘দ্য পাওয়ার অব নেচার’ প্রতিপাদ্যটির মাধ্যমে একটাই বার্তা দেওয়া হয়: প্রকৃতির শক্তিই পৃথিবীকে রক্ষা করতে পারে, এবং আমরা সবাই যদি একত্রিত হয়ে কাজ করি, তবে পৃথিবীকে আরও নিরাপদ ও সুস্থ করে তোলা সম্ভব। প্রকৃতি আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং এটি সুরক্ষিত না হলে আমাদের ভবিষ্যৎও ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।
বিশ্বব্যাপী এই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রকৃতি রক্ষার ক্ষেত্রে তাদের দায়বদ্ধতার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল, এবং এই বার্তা পৃথিবীজুড়ে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ বছরও বিশ্বব্যাপী পালিত হওয়া এই কর্মসূচিতে এক নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে ‘প্রকৃতির শক্তি’ সম্পর্কে গভীর চিন্তা-ভাবনা ও সংহতির বার্তা প্রদান করা হয়, যা সারা বিশ্বের পরিবেশ সচেতন নাগরিকদের মাঝে একটি শক্তিশালী উদাহরণ স্থাপন করবে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |