| বঙ্গাব্দ

মোদিবিরোধিতায় একজোট বিরোধী জোট, তবে রাহুলকে প্রধানমন্ত্রী মানতে নারাজ শরিকেরা

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 11-09-2026 ইং
  • 9824 বার পঠিত
মোদিবিরোধিতায় একজোট বিরোধী জোট, তবে রাহুলকে প্রধানমন্ত্রী মানতে নারাজ শরিকেরা
ছবির ক্যাপশন: মোদিবিরোধিতায় একজোট বিরোধী জোট, তবে রাহুলকে প্রধানমন্ত্রী মানতে নারাজ শরিকেরা

মোদিবিরোধিতায় একজোট বিরোধী জোট, তবে রাহুলকে প্রধানমন্ত্রী মানতে নারাজ শরিকেরা

বিশেষ প্রতিনিধি: বিডিএস বুলবুল আহমেদ

ভারতে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন সরকারের নীতি ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় বিরোধী দলগুলো এক ছাতার নিচে এলেও নেতৃত্ব নিয়ে বাঁধে চরম আপত্তি। বিরোধীদের জোট বা মোদিবিরোধী মঞ্চে রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী বা সর্বসম্মত নেতা হিসেবে মেনে নিতে সরাসরি আপত্তি জানিয়েছে বেশ কয়েকটি শীর্ষ আঞ্চলিক শরিক দল। রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারা জানিয়েছেন, তাদের মূল লক্ষ্য বিজেপি ও নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী লড়াইয়ে যৌথভাবে পরাস্ত করা; তবে ভোটের আগেই কংগ্রেস থেকে কাউকেও সার্বিক বিরোধী মুখ হিসেবে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। এতে করে ভোটের পর আসন সংখ্যার ওপর ভিত্তি করেই প্রধানমন্ত্রী পদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে।

কেন রাহুল গান্ধীকে নিয়ে শরিকদের আপত্তি?

ভারতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক দলগুলোর নিজস্ব ভিত্তি ও শক্ত অবস্থান রয়েছে, যা রাহুলের একক নেতৃত্ব মেনে নেওয়ার ক্ষেত্রে মূল বাধা।

প্রথমত, মমতার তৃণমূল কংগ্রেস, আম আদমি পার্টি (আপ), সমাজবাদী পার্টি কিংবা সমাজতান্ত্রিক ধাঁচের দলগুলোর মতে, কেবল কংগ্রেসের ওপর ভর করে মোদিকে হারানো সম্ভব নয়। রাজ্য স্তরে আঞ্চলিক দলগুলোর অবদানই প্রধান। দ্বিতীয়ত, নির্বাচনপূর্ব প্রধানমন্ত্রী মুখ ঘোষণার চেয়ে আসন সমঝোতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পক্ষে শরিকরা। দলগুলোর আশঙ্কা, আগে থেকেই রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী মুখ ঘোষণা করলে হিন্দি বলয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করা বেশ কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

বিরোধী জোটের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের মূল দিকসমূহ

পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে উঠে আসা প্রধান নীতিগত বিষয়গুলো হলো:

  • আঞ্চলিক শক্তির প্রভাব: আঞ্চলিক রাজনীতিতে শক্তিশালী দলগুলো নিজেদের প্রভাব ও দাবি বজায় রাখতে একক কোনো বড় দলের নেতৃত্ব পুরোপুরি স্বীকার করতে অনিচ্ছুক।

  • ভোটের পর নেতৃত্ব নির্ধারণ: ভোটের আগে কোনো নাম ঘোষণা না করে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর যৌথ আলোচনার ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী বাছাইয়ের প্রস্তাব।

  • নীতিগত ঐক্য বনাম নেতৃত্বের লড়াই: মোদিবিরোধী সার্বিক ইস্যুতে একমত হলেও সরকার গঠনের মূল দৌড়ে নিজেদের দরকষাকষির ক্ষমতা ধরে রাখার কৌশল।

এক নজরে বিরোধী জোটের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ

তার এই বক্তব্য কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপালের বক্তব্যের সঙ্গে সরাসরি ভিন্নমত তৈরি করেছে। বেণুগোপাল এর আগে বলেছিলেন, ২০২৯ সালের নির্বাচনে বিরোধী জোটের মুখ হিসেবে রাহুল গান্ধীকে সামনে রাখা হবে।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency