পিকেএসএফের প্রকল্পে ২ লাখ ১৫ হাজার অতিদরিদ্র পরিবারের জীবন-জীবিকায় ইতিবাচক পরিবর্তন
পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) পরিচালিত বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের প্রায় ২ লাখ ১৫ হাজার অতিদরিদ্র পরিবারের জীবন-জীবিকায় দৃশ্যমান ও ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। আজ ২৯ সেপ্টেম্বর পিকেএসএফের সদর দফতরে আয়োজিত এক পর্যালোচনা সভায় প্রকল্পটির সমাপনী অগ্রগতি ও ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়। মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং অর্থনৈতিকভাবে অনগ্রসর অঞ্চলের জনগোষ্ঠীকে আত্মনির্ভরশীল ও টেকসই আয়ের সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই সমন্বিত উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
প্রকল্পের কার্যকারিতা ও স্বাবলম্বিতার কৌশল
প্রকল্পটির আওতায় উপকারভোগীদের কেবল আর্থিক অনুদান বা ঋণ দেওয়া হয়নি, বরং প্রশিক্ষণ ও উপকরণ সহায়তার মাধ্যমে টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করা হয়েছে।
আয়বর্ধক প্রশিক্ষণ ও মূলধন সহায়তা: কৃষিকাজ, গবাদিপশু পালন, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও হস্তশিল্প খাতে অতিদরিদ্র পরিবারগুলোকে কারিগরি দক্ষতা ও সহজ শর্তে মূলধন দেওয়া হয়েছে।
জলবায়ু সহনশীল জীবিকা: দুর্যোগপ্রবণ ও উপকূলীয় এলাকার পরিবারগুলোকে পরিবেশবান্ধব ও সহনশীল কর্মসংস্থানের ব্যবস্থার মাধ্যমে টেকসই আয়ের পথ দেখানো হয়েছে।
সামাজিক নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবা: অর্থনৈতিক উন্নতির পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা, স্যানিটেশন ও শিশুদের শিক্ষায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিশেষ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
এক নজরে পিকেএসএফ প্রকল্পের মূল অর্জন
| বিষয় | প্রকল্প কেন্দ্রিক তথ্য ও পরিসংখ্যান |
| বাস্তবায়নকারী সংস্থা | পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) |
| উপকারভোগী পরিবার | প্রায় ২ লাখ ১৫ হাজার অতিদরিদ্র পরিবার |
| মূল উদ্দেশ্য | টেকসই দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি |
| প্রধান ক্ষেত্রসমূহ | ক্ষুদ্র উদ্যোগ, কৃষি, প্রাণীসম্পদ ও কারিগরি দক্ষতা |
| সংবাদের তারিখ | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা
এই সুনির্দিষ্ট সামাজিক নিরাপত্তা ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মসূচির ফলে অতিদরিদ্র পরিবারগুলো স্থায়ীভাবে দারিদ্র্যসীমার ওপরে উঠে আসতে সক্ষম হয়েছে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |