প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ
ফিফা আসিয়ান কাপের গ্রুপ পর্বে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ৯-২ গোলের বড় ব্যবধানে হারের ক্ষত না শুকাতেই বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের দুই ফুটবলারকে নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। ম্যাচের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফুটবলার সাদ উদ্দিন ও সোহেল রানা জুনিয়রের বিরুদ্ধে নাইট ক্লাবে যাওয়ার গুরুতর অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ক্রীড়া ভাতা বাতিলেরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
গত ১ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হারের পর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ছবি ও ভিডিও ঘিরে এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়। ভাইরাল হওয়া ওই ছবিগুলোতে দুই ফুটবলারকে এক বিদেশি নারীর সঙ্গে দেখা যায়।
তবে এই অভিযোগ শুরু থেকেই জোরালোভাবে অস্বীকার করেছেন সাদ উদ্দিন ও সোহেল রানা। তাদের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিটি সম্পূর্ণ পুরোনো এবং ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ শেষ হওয়ার পরের কোনো ঘটনার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। এমনকি যে নারী ছবিটি পোস্ট করেছিলেন, তিনিও পরবর্তীতে জানান যে এটি নেপালের পুরোনো একটি স্মৃতি। তা সত্ত্বেও ফুটবলাঙ্গনে ও সাধারণ সমর্থকদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ টাওয়ারে এশিয়ান গেমসে উশুতে পদকজয়ী জিন্নাত আক্তারকে সংবর্ধনা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
তিনি সাফ জানিয়ে দেন, দলের এমন শোচনীয় পরাজয়ের পর খেলোয়াড়দের এ ধরনের আচরণ অত্যন্ত হতাশাজনক। প্রতিমন্ত্রী বলেন—
"ফুটবলের ফলাফল এমনিতেই খুব বাজে হয়েছে। তার ওপর এই ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত হতাশার। তৎকালীন দলের দায়িত্বে বা ম্যানেজমেন্টে কারা ছিলেন, আমরা সেটিও খতিয়ে দেখছি।"
"আমি পরিষ্কার করে বলছি, তাদের নাইট ক্লাবে যাওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে অবশ্যই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর তারা যদি ক্রীড়া ভাতা কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকেন, তবে তাও বাতিল করা হবে।"
ইতিমধ্যে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সভাপতি দেশে ফিরলে পুরো বিষয়টি নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কাজ শুরু হবে এবং এই ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
দলের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং খেলোয়াড়দের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতে বাফুফে ও মন্ত্রণালয় কতটা কঠোর পদক্ষেপ নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |