| বঙ্গাব্দ

প্রেমিককে বিয়ে করতে এক বছর পেছনে লেগেছিলেন রাশমিকা

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 19-10-2026 ইং
  • 40353 বার পঠিত
প্রেমিককে বিয়ে করতে এক বছর পেছনে লেগেছিলেন রাশমিকা
ছবির ক্যাপশন: প্রেমিককে বিয়ে করতে এক বছর পেছনে

বিয়ের প্রস্তাবের অপেক্ষায় থাকেননি রাশমিকা, এক বছর ধরে নিজেই বিজয়কে বিয়ের কথা বলেছিলেন!

প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ

দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় ও আলোচিত তারকা জুটি বিজয় দেবেরাকোন্ডা এবং রাশমিকা মান্দানা। অল্প কিছুদিন আগেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে নতুন জীবন শুরু করেছেন এই জুটি। বিয়ের পর পরই বড় পর্দায় তাদের নতুন সিনেমা ‘রণবলী’ নিয়ে হাজির হয়েছেন তারা, যা পরিচালনা করেছেন খ্যাতনামা নির্মাতা রাহুল সাংকৃত্যায়ন। শারদীয় দুর্গোৎসবের এই সময়ে তেলেগু, তামিল, হিন্দি, মালয়ালাম ও কন্নড়—এই পাঁচ ভাষায় গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর ২০২৬) প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি।

বর্তমানে ছবিটির প্রচারে দারুণ ব্যস্ত সময় পার করছেন এই তারকা দম্পতি। এর মাঝেই পরিচালক ও সঞ্চালক করণ জোহরের জনপ্রিয় ও আলোচিত টকশো ‘কফি উইথ করণ ৯’-এর নতুন পর্বের ট্রেলারে হাজির হয়ে নিজেদের প্রেম ও বিয়ের অজানা সব গল্প শেয়ার করেছেন তারা।

বিয়ের প্রস্তাবের মজার সিক্রেট ফাঁস!

২০১৮ সালে ‘গীতা গোবিন্দম’ সিনেমার মাধ্যমে পরিচয় এবং পরবর্তীতে ‘ডিয়ার কমরেড’ ছবিতে জুটি বাঁধার পর থেকেই পর্দার বাইরেও তাদের প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে দুই পরিবারের সম্মতিতে তেলেগু ও কোডাভা—উভয় ঐতিহ্যের মিক্সড আয়োজনে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর ভক্তদের মনে তাদের প্রেমের শুরু ও বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে কৌতূহলের শেষ ছিল না।

‘কফি উইথ করণ’-এর নতুন পর্বের ট্রেলারে করণ জোহর প্রশ্ন করেন, বিজয় কি রাশমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন? উত্তরে রাশমিকা মাথা নেড়ে ‘না’ সূচক সম্মতি জানান। এরপর নিজেই মজার ছলে পুরো বিষয়টি ফাঁস করে দেন।

বিজয় দেবেরাকোন্ডা বলেন, “ও-ই তো বলেছিল, চলো বিয়ে করি।” এরপর একটু রসিকতা করে অভিনেতা আরও জানান, রাশমিকা তাকে প্রায় একশোবার বিয়ের কথা বলেছিলেন!

করণ জোহর তখন অবাক হয়ে রাশমিকার দিকে তাকিয়ে জানতে চান, তিনি সত্যিই বিজয়কে এতবার বিয়ের কথা বলেছিলেন কি না? মুচকি হেসে রাশমিকা অকপটে স্বীকার করে নেন, “আমি তো পুরো এক বছর ধরে একটানা ওকেই বিয়ের কথা বলেছি।”

রাশমিকার মুখে এমন মজার সত্য স্বীকারোক্তি শুনে রীতিমতো অবাক হয়ে যান সঞ্চালক করণ জোহর। পরিস্থিতি হালকা করতে তখন বিজয় বলেন, “আমি তো আর খারাপ মানুষ নই!” তারকা জুটির এমন প্রাণবন্ত খুনসুটি ও রোমান্টিক রসায়ন ইতিমধ্যেই নেটদুনিয়ায় ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়েছে।

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
তাজা রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency