| বঙ্গাব্দ

ক্রিকেটে নতুন প্রযুক্তি ‘সনিক’, ব্যাটে বলের সংযোগ শনাক্তে সহায়তা করবে

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 22-10-2026 ইং
  • 11987 বার পঠিত
ক্রিকেটে নতুন প্রযুক্তি ‘সনিক’, ব্যাটে বলের সংযোগ শনাক্তে সহায়তা করবে
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

ক্রিকেটে নতুন প্রযুক্তি ‘সনিক’, ব্যাটে বলের সংযোগ শনাক্তে সহায়তা করবে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ

প্রকাশের তারিখ: ২২ অক্টোবর ২০২৬

ক্রিকেটে ব্যাটে বল লেগেছে কি না, তা নিয়ে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে ঘিরে প্রায়ই বিতর্ক দেখা যায়। বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে এমন বিতর্ক কমলেও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। এবার ব্যাটে বলের সংযোগ শনাক্তে ক্রিকেটে যুক্ত হচ্ছে নতুন প্রযুক্তি ‘সনিক’।

ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার চলমান সিরিজে প্রথমবারের মতো প্রযুক্তিটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। শব্দ বিশ্লেষণের মাধ্যমে ব্যাটে বল লাগার বিষয়টি শনাক্ত করতে তৃতীয় আম্পায়ারকে সহায়তা করবে সনিক।

নিউজিল্যান্ডে তৈরি এই প্রযুক্তির পরীক্ষা ও কার্যকারিতা যাচাইয়ের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আইসিসির সঙ্গে আলোচনা করে এসব প্রক্রিয়া চালানো হয়। এতে সহযোগিতা করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।

যেভাবে কাজ করবে সনিক

ব্যাটে বল আঘাত করলে যে শব্দ তৈরি হয়, তা বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য সংযোগ শনাক্ত করবে সনিক। বিশেষ করে বল ব্যাটে লেগে উইকেটকিপার কিংবা অন্য কোনো ফিল্ডারের হাতে যাওয়ার সময় সংযোগটি আম্পায়ারের চোখে স্পষ্ট না হলে প্রযুক্তিটি সিদ্ধান্ত পর্যালোচনায় সহায়ক হবে।

ডিসিশন রিভিউ সিস্টেমের (ডিআরএস) আওতায় কোনো সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার সময় সনিকের বিশ্লেষণ থেকে পাওয়া তথ্য বিবেচনায় নিতে পারবেন তৃতীয় আম্পায়ার। তবে এটি আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের বিকল্প নয়; বরং সিদ্ধান্ত গ্রহণে অতিরিক্ত তথ্য সরবরাহ করবে।

ভার্চ্যুয়াল আইয়ের সরবরাহ করা ডিআরএস ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে সনিক। প্রতিষ্ঠানটি ২০০৮ সালে বল ট্র্যাকিং প্রযুক্তির জন্য আইসিসির স্বীকৃতি পেয়েছিল।

আপাতত ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজেই ব্যবহার

ভারত ও নিউজিল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি ম্যাচের পর পাঁচটি ওয়ানডে ও দুটি টেস্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই সিরিজেই প্রথমবারের মতো সনিক ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তবে আপাতত অন্য কোনো সিরিজে প্রযুক্তিটি ব্যবহারের অনুমতি নেই। ভবিষ্যতে অন্য সিরিজে সনিক ব্যবহার করতে হলে আইসিসির কাছ থেকে নতুন করে অনুমোদন নিতে হবে।

ক্রিকেটে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়লেও আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে সহায়তা করাই সনিকের মূল উদ্দেশ্য। ব্যাটে বলের সংযোগ নিয়ে বিতর্কিত পরিস্থিতিতে প্রযুক্তিটি কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

সূত্র: যুগান্তর

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency