| বঙ্গাব্দ

২৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলো বিদেশ থেকে আমদানি করা ৭৪টি বিলাসবহুল গাড়ি

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 06-02-2025 ইং
  • 4787015 বার পঠিত
২৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলো বিদেশ থেকে আমদানি করা ৭৪টি বিলাসবহুল গাড়ি
ছবির ক্যাপশন: ২৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলো বিদেশ থেকে আমদানি করা ৭৪টি বিলাসবহুল গাড়ি

২৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলো বিদেশ থেকে আমদানি করা ৭৪টি বিলাসবহুল গাড়ি

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজ বিদেশ থেকে আমদানি করা ৭৪টি বিলাসবহুল গাড়ি শেষ পর্যন্ত প্রতি কেজি ২৪ টাকা ৫০ পয়সা দরে বিক্রি করেছে। দীর্ঘদিন ধরে মামলার জটিলতায় আটকে থাকা এসব গাড়ি স্ক্র্যাপ করে রি-রোলিং মিলগুলোর কাছে নিলামে বিক্রি করা হয়েছে

নিলামের প্রক্রিয়া: কীভাবে বিক্রি হলো গাড়িগুলো?

বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের নিলাম শেডে গাড়ির কাটা টুকরো রাখা হয়। পাশের কক্ষে কাস্টমস কর্মকর্তারা উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে গাড়িগুলো স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি করেন

  • ৫৮টি লটে ৭৪টি গাড়ি নিলামে তোলা হয়
  • প্রতি টনের ভিত্তি মূল্য ধরা হয় ৫৩ হাজার টাকা
  • নিলামে দর উঠে ২৪ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত
  • নিলাম শুরু হয়েছিল ১৩ হাজার টাকা থেকে

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের উপকমিশনার মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম জানান,
"৭৪টি গাড়ির কাটা টুকরো বিক্রি হয়েছে। প্রতি টনের ভিত্তি মূল্য ছিল ৫৩ হাজার টাকা।"

কেন নিলামে স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি করা হলো?

চট্টগ্রাম কাস্টমসের দাবি, মামলা ও নানা জটিলতার কারণে গাড়িগুলো দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত ছিল এবং এগুলো চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছিল

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের সহকারী কমিশনার (নিলাম) মোহাম্মদ সাকিব হোসেন বলেন,
"মামলাসহ নানা জটিলতায় গাড়িগুলো আগেই অচল হয়ে গিয়েছিল। তাই এনবিআরের অনুমতি নিয়ে স্ক্র্যাপ আকারে বিক্রি করা হয়েছে।"

গাড়ি নিলামে অংশগ্রহণ নিয়ে অভিযোগ

এই বিলাসবহুল গাড়িগুলো ভাঙারি হিসেবে বিক্রি করায় নিলামে অংশগ্রহণকারী বিডারদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে

  • বিডারদের অভিযোগ, শুধুমাত্র রি-রোলিং মিলগুলোর জন্য শর্তারোপ করা হয়েছে
  • অন্যান্য ক্রেতারা নিলামে অংশ নিতে পারেনি

একজন নিলামে অংশগ্রহণকারী বলেন,
"এভাবে শর্ত দিয়ে শুধুমাত্র রি-রোলিং মিলগুলোকেই সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। স্বচ্ছ নিলামের সুযোগ থাকলে গাড়িগুলোর আরও ভালো দাম পাওয়া যেতো।"

গাড়িগুলো কীভাবে স্ক্র্যাপ হলো?

চট্টগ্রাম কাস্টমস জানায়, গত বছরের আগস্ট-সেপ্টেম্বরেই গাড়িগুলো স্ক্র্যাপ করার জন্য কেটে ফেলা হয়

  • অনেক বছর ধরে আটকে থাকা এই গাড়িগুলো আদালতের নির্দেশে বিক্রি করা হয়
  • এনবিআরের অনুমোদন নিয়ে লোহা হিসেবে বিক্রি করা হয়েছে
  • কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, এভাবে বিক্রি করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না

নিলামে আরও ভালো দাম পাওয়া যেত কি?

নিলামের বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গাড়িগুলো সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে না গেলে সরাসরি বিক্রির সুযোগ থাকলে আরও বেশি দাম পাওয়া যেতো

তবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বলছে, দীর্ঘদিন ধরে নিলাম প্রক্রিয়া চালিয়েও ক্রেতা পাওয়া যায়নি, তাই স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি করা হয়েছে

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency