শেখ হাসিনার আগুন সন্ত্রাসের বক্তব্যের বিরুদ্ধে সমালোচনা, রাজধানীসহ দেশজুড়ে নতুন অগ্নিসংযোগ
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
ফ্যাসিবাদী হিসাবে চিহ্নিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার শাসনামলে আগুন সন্ত্রাসের বিপক্ষে জোরালো বক্তব্য দিয়েছিলেন। কিন্তু এখন তিনিই আবার তার দলের মাধ্যমে এমন সন্ত্রাসে ইন্ধন দিচ্ছেন কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে। সম্প্রতি রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বাসে আগুন দেওয়া হচ্ছে, যার কারণে জনমনে আলোচনা শুরু হয়েছে যে, এই অগ্নিসংযোগের পেছনে সম্ভবত শেখ হাসিনার ইন্ধন রয়েছে।
শেখ হাসিনার ২০২৩ সালের একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে উঠেছে, যেখানে তিনি বলেছিলেন, "আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে, কেউ যদি এভাবে গাড়িতে আগুন ও মানুষের জীবনে আগুন ধরাতে চেষ্টা করে, ওই হাত ওই আগুনে পুড়িয়ে দেবেন।" এই বক্তব্যটি একসময় তার সরকারের শাসনামলে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু এখন তা পুনরায় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
২০২৩ সালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত একটি স্মরণসভায় শেখ হাসিনা বলেছিলেন, "অবরোধ আর অগ্নিসন্ত্রাস করে আর যেন একটাও পার না পায়। যদি কোনোটা আগুন দেওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে, তখন সঙ্গে সঙ্গে ওই আগুনেই তাকে ফেলতে হবে, হাত পুড়িয়ে দিতে হবে।" এই বক্তব্যের পর, তিনি অগ্নিসন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান জানান এবং মানুষের জানমালের সুরক্ষা দিতে রাজনৈতিক দলগুলোকে তৎপর হওয়ার জন্য নির্দেশ দেন।
শেখ হাসিনার এই বক্তব্যের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা ও ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য হচ্ছে। ফেসবুক ব্যবহারকারী এম আব্দুল্লাহ লিখেছেন, “‘আগুন-সন্ত্রাস’ শব্দযুগলের আবিষ্কারক পতিত ফ্যাসিস্ট শাসক শেখ হাসিনা।” ভার্চুয়াল মাধ্যমে আরও অনেকেই তার বক্তব্যকে সমালোচনা করছেন এবং হাসিনার শাসনামলে তার দলের কিছু ক্যাডার ও গোয়েন্দা সংস্থার দলবাজ কর্মকর্তারা আগুন সন্ত্রাসে ভূমিকা রাখার অভিযোগ করছেন।
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, ১৩ নভেম্বরের তথাকথিত লকডাউন কর্মসূচি সফল করতে রাজধানীতে ঝটিকা মিছিল ও নাশকতার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, “ঢাকার মানুষ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশসহ আমরা সবাই মিলে সব চক্রান্ত ও সন্ত্রাস রুখে দেব।”
শেখ হাসিনার আগুন সন্ত্রাস নিয়ে দেওয়া বক্তব্য এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি দেশের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং সরকারের শাসনামলে আগুন সন্ত্রাসের ইন্ধন দেওয়ার বিষয়টি নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে, এবং এই বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থার ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে।
সূত্র:
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |