| বঙ্গাব্দ

শফিকুল আলমের সমালোচনা: গণমাধ্যমের মনগড়া সংবাদ এবং সাংবাদিকতার স্বাধীনতা

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 14-11-2025 ইং
  • 2619505 বার পঠিত
শফিকুল আলমের সমালোচনা: গণমাধ্যমের মনগড়া সংবাদ এবং সাংবাদিকতার স্বাধীনতা
ছবির ক্যাপশন: শফিকুল আলম

শফিকুল আলমের কঠোর সমালোচনা: গণমাধ্যমের মনগড়া ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ”

প্রতিবেদনকারীর নাম : বিডিএস বুলবুল আহমেদ

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস সচিব শফিকুল আলম গণমাধ্যমের মনগড়া ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের প্রবণতা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, “মতিউর রহমান চৌধুরীর মানবজমিন সাম্প্রতিক মাসগুলোতে নানান ধরনের মিথ্যা ও মনগড়া খবর প্রকাশ করেছে।”
শফিকুল আলম আরও মন্তব্য করেন, “পত্রিকাটির সম্পাদক হয়তো মনে করেন, ট্যাবলয়েড গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে সাংবাদিকতার নৈতিকতা প্রযোজ্য নয়।”
তিনি যুক্তরাজ্যের উদাহরণ দিয়ে বলেন, “যুক্তরাজ্যে ট্যাবলয়েড পত্রিকাগুলো সাংবাদিকতার মানদণ্ড লঙ্ঘন এবং মানুষের মানহানি করার জন্য নিয়মিতভাবে বহু মিলিয়ন পাউন্ড জরিমানা ও ক্ষতিপূরণ দিয়ে থাকে। তবে বাংলাদেশে মানহানি সংক্রান্ত মামলায় কোনো অর্থবহ পরিণতি দেখা যায় না।”
তিনি অভিযোগ করেন যে, বাংলাদেশের সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো ইচ্ছেমতো মনগড়া গল্প প্রকাশ করে এবং কেউ প্রতিবাদ করলে ‘মিডিয়ার স্বাধীনতা’কে সঙ্গী করে তারা তাদের দায় এড়িয়ে যায়।
শফিকুল আলম আরও বলেন, “তবুও কিছু পত্রিকার সম্পাদক নিয়মিত অভিযোগ করেন যে বাংলাদেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই, এবং হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরও কিছুই বদলায়নি। আমাদের মানবাধিকার সংগঠনগুলোও প্রায়ই এসব উদ্বেগের প্রতি সাড়া দেয়, কিন্তু তারা প্রকৃত দোষীকে চিহ্নিত না করে নানা ধরনের আলোচনা করে।”
তিনি আরও দাবি করেন, “অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সাংবাদিকরা অভূতপূর্ব সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা উপভোগ করছেন। তাদের প্রায় সব বিষয়ে লেখার ও বলার সুযোগ রয়েছে—এমনকি সামরিক বাহিনী সম্পর্কে মনগড়া ও বানানো মন্তব্যও।”
এছাড়া, তিনি বলেছেন, “গণমাধ্যমকর্মীদের অভিযোগ অনেক সময় অতিরঞ্জিত, এবং প্রায়ই তাদের বলা হয়, দেশে কি আর সাংবাদিকতা করার পরিবেশ আছে!”

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

বাংলাদেশের গণমাধ্যম স্বাধীনতা নিয়ে দীর্ঘকাল ধরে বিতর্ক রয়েছে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে সংবাদপত্র ও সাংবাদিকরা রাষ্ট্রীয় নিষেধাজ্ঞা এবং সরকারের চাপের মুখে পড়েছে। ২০০৭-২০০৮ সালে সামরিক শাসন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আরও সীমিত হয়ে যায়।
বর্তমানে, বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা যেমন রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার ও ফ্রিডম হাউস নিয়মিত উদ্বেগ প্রকাশ করছে। তবে, শফিকুল আলমের বক্তব্যটি দেশের গণমাধ্যম এবং সরকারের মধ্যে উত্তপ্ত বিতর্কের একটি নতুন দিক তুলে ধরেছে।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency