জাতীয় নির্বাচনের আগে সহিংসতার হুমকি সজীব ওয়াজেদ জয়ের
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ২০২৪ সালে একটি অস্বস্তিকর মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে, বিশেষ করে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সাম্প্রতিক হুমকির পর। গত ১৬ নভেম্বর, ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে না নিলে, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচন পণ্ড হয়ে যাবে। জয় তার বক্তব্যে সতর্ক করেছেন যে, পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নিতে পারে।
এই হুমকি দিয়েছেন তিনি একদিন আগে, যখন শেখ হাসিনা ও তার দলের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার জন্য প্রস্তুতি চলছিল। সরকারবিরোধী আন্দোলনে গত বছরের জুলাই থেকে আগস্টের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে কমপক্ষে ১৪০০ মানুষ নিহত হয়, যা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর বাংলাদেশের সবচেয়ে ভয়াবহ রাজনৈতিক সহিংসতা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
সজীব ওয়াজেদ, যিনি বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন, বলেছেন যে ভারত তাকে পূর্ণ নিরাপত্তা দিচ্ছে এবং এক রাষ্ট্রপ্রধানের মতো সম্মানিত করছে। তিনি আরো বলেন, "আমরা জানি কী হতে যাচ্ছে। তারা আমার মা শেখ হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করবে এবং সম্ভবত মৃত্যুদণ্ডও দিতে পারে। তবে আমার মা ভারতে নিরাপদে আছেন।"
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এই মুহূর্তে একটি বিশাল অস্থিরতা বিরাজ করছে, যেখানে আওয়ামী লীগসহ অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। সজীব ওয়াজেদ এই পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ না দিলে, তারা আন্দোলন আরও তীব্র করে তুলবে এবং নির্বাচন পণ্ড করার জন্য প্রস্তুত থাকবে।
এছাড়া, চলতি বছরের মে মাসে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার কথা ঘোষণা করেছিল, যার ফলে দলের নিবন্ধন স্থগিত করা হয়। সজীব ওয়াজেদ এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে বলেন, "আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন আমরা হতে দেব না। আমাদের আন্দোলন আরও শক্তিশালী হবে এবং যদি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কিছু না করে, তাহলে নির্বাচনের আগে সহিংসতা ঘটবে এবং দেশে সংঘর্ষ সৃষ্টি হতে পারে।"
এই সময়ে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও জানিয়েছেন যে, তিনি দিল্লিতে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে সতর্ক থাকতে হয়।
রয়টার্স
বাংলাদেশ প্রতিদিন
ইউনাইটেড নিউজ বাংলাদেশ
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |