আন্তর্জাতিক ও ভূরাজনীতি ডেস্ক
সর্বশেষ আপডেট: ২১ জুলাই, ২০২৬
উপসাগরীয় অঞ্চলের মরু রাষ্ট্র কুয়েতের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং পানি শোধন (ডিস্যালিনেশন) প্ল্যান্টগুলোকে লক্ষ্য করে আবারও সিরিজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান।
কুয়েতের বিদ্যুৎ, পানি ও নবায়নযোগ্য শক্তি মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এক জরুরি বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে, অবকাঠামোগুলো লক্ষ্য করে পরপর চার দিন এ ধরনের জঘন্য হামলা চালানো হয়েছে, যার ফলে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ও শোধন ফিল্ডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
মন্ত্রণালয় থেকে আরও জানানো হয়, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই ফায়ার সার্ভিস এবং জাতীয় নিরাপত্তাবাহিনীর জরুরি দল দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে আগুন সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।
তবে সরঞ্জাম ও জাতীয় গ্রিডের নিরাপত্তা রক্ষার্থে আগাম সতর্কতা হিসেবে কয়েকটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিট আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।
🚰 কুয়েতের জন্য পানি ও বিদ্যুৎ সংকটের ঝুঁকি:
• শতভাগ নির্ভরতা: মরুভূমির দেশ কুয়েতের সুপেয় পানির চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশই আসে সমুদ্রের পানি শোধন (Desalination) প্ল্যান্ট থেকে।
• দ্বিমুখী প্রভাব: পাওয়ার প্ল্যান্ট ক্ষতিগ্রস্ত হলে সমন্বিত শোধন ব্যবস্থাও স্থবির হয়ে পড়ে, যা পুরো দেশের সুপেয় পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহকে ঝুঁকিতে ফেলে দিয়েছে।
• জাতীয় সতর্কতা: সরকার উদ্ভূত এই জরুরি পরিস্থিতিতে সাধারণ নাগরিকদের পানির অপচয় রোধ ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে আকুল আহ্বান জানিয়েছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা ও এএফপি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধ চরম আকার ধারণ করার পর থেকে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ঘাঁটি এবং মিত্র উপসাগরীয় দেশগুলোর মূল অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা আঘাত হানছে। কুয়েতের পাশাপাশি জর্ডান ও বাহরাইনেও সাম্প্রতিক দিনে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে।
কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ক্রমাগত হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের নজিরবিহীন লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ধ্বংসের মারাত্মক উসকানি বলে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |