প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ
ভালোবাসা মানুষের হৃদয়ের একটি স্বাভাবিক অনুভূতি। তবে দুনিয়ার জীবনে সবাই তাদের কাঙ্ক্ষিত ভালোবাসার মানুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পান না। অনেক সময় অনেক পুরুষ ও নারী কাউকে মন থেকে ভালোবেসেও শেষ পর্যন্ত বিয়ে করতে পারেন না। তখন অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে—জান্নাতে তো মানুষের কোনো চাওয়াই অপূর্ণ থাকবে না, তবে কি সেখানে দোয়া করে দুনিয়ার সেই ভালোবাসার মানুষকে সঙ্গী হিসেবে পাওয়া যাবে? কুরআন-হাদিসের আলোকে বিষয়টি স্পষ্ট করা যাক।
আপনি যদি সেই কাঙ্ক্ষিত ভালোবাসার মানুষকে দুনিয়াতে বিয়ে করে থাকেন এবং তিনি আপনার বিবাহিত স্ত্রী হন, তবে জান্নাতেও তিনি আপনার সঙ্গী হবেন। আল্লাহ তাআলা জান্নাতে সৎকর্মশীল মুমিনদের পরিবার ও দম্পতিদের পুনর্মিলিত করার ওয়াদা দিয়েছেন। সুরা আত-তুরের ২১ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘আর যারা ইমান আনে এবং তাদের সন্তান-সন্ততি ইমানে তাদের অনুসরণ করে, আমি তাদের সঙ্গে তাদের সন্তান-সন্ততিকে একত্রিত করব এবং তাদের আমল হতে কিছুই কমাব না।’ শুধু তা-ই নয়, জান্নাতে পরিবারের কোনো সদস্যের আমলের স্তর উঁচুতে আর কারও স্তর কিছুটা নিচে থাকলে, উচ্চ স্তরের সদস্যকে নিচে নামানো হবে না; বরং নিচের স্তরের সদস্যকে পদোন্নতি দিয়ে ওপরের স্তরে এনে সবাইকে একত্র করে দেওয়া হবে।
কিন্তু আপনি যদি সেই মানুষটিকে দুনিয়াতে বিয়ে না করে থাকেন এবং তার সঙ্গে কোনো অবৈধ বা হারাম সম্পর্ক থেকে থাকে, তবে জান্নাতে তার সঙ্গে একত্র হওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন হবে। আপনি যদি সেই হারাম সম্পর্কের জন্য আন্তরিকভাবে তাওবা করেন এবং আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করে জান্নাতে প্রবেশ করান, তবে জান্নাতে যাওয়ার পর আপনার মনের অবস্থা দুনিয়ার মতো থাকবে না। জান্নাতে মানুষের মন থেকে সব ধরনের হিংসা, পাপ এবং অনুচিত বাসনা দূর করে দেওয়া হবে। ফলে দুনিয়ার সেই বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের মানুষের প্রতি জান্নাতে আপনার মনে কোনো আকাঙ্ক্ষাই তৈরি হবে না এবং আল্লাহ তাআলা এর চেয়েও অনেক উত্তম ও পবিত্র সঙ্গী দান করবেন।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |