| বঙ্গাব্দ

সিটির বিরুদ্ধে রায়: প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেবে ইংলিশ এফএ

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 02-10-2026 ইং
  • 6906 বার পঠিত
সিটির বিরুদ্ধে রায়: প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেবে ইংলিশ এফএ
ছবির ক্যাপশন: সিটির বিরুদ্ধে রায়: প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেবে

আর্থিক নিয়ম লঙ্ঘনের রায় নিয়ে ম্যানচেস্টার সিটির আপিল, মুখ খুলল ইংল্যান্ড এফএ

প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে ম্যানচেস্টার সিটি দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ঘটনায় অবশেষে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইংল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ)। সংস্থাটির পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, স্বাধীন কমিশনের দেওয়া এই রায় ফুটবলের সামগ্রিক ‘স্বচ্ছতার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ’।

এফএ-এর অবস্থান ও পরবর্তী পদক্ষেপ:

ইংলিশ ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা এফএ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “আমরা এই সিদ্ধান্ত এবং এর সার্বিক প্রভাব গভীরভাবে খতিয়ে দেখছি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী যথাযথ পদক্ষেপ নেব।”

মামলার আইনি প্রক্রিয়া ও কার্যক্রম এখনো চলমান থাকায় এই মুহূর্তে এর বাইরে আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি এফএ। তবে তারা পুরো ঘটনাপ্রবাহ অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছে।

মামলার প্রেক্ষাপট ও সিটির অবস্থান:

উল্লেখ্য, ২০০৯-১০ থেকে ২০১৭-১৮ মৌসুমের মধ্যে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক বিধিমালা বা ফাইন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে ভঙ্গের মোট ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১১৪টিতেই দোষী সাব্যস্ত হয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটি। গত মঙ্গলবার প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করে।

শুরু থেকেই সিটির পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়ে আসছে। দোষী সাব্যস্ত হওয়ার এই রায়ের বিরুদ্ধে শুক্রবারের মধ্যে আপিল করার আইনি সুযোগ রয়েছে ক্লাবটির সামনে। তবে লক্ষণীয় বিষয় হলো, মামলার চূড়ান্ত রায় এলেও এখন পর্যন্ত সিটির জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো শাস্তির ঘোষণা দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে এক আলাদা শুনানির মাধ্যমে ক্লাবটির শাস্তি নির্ধারণ করার কথা রয়েছে।

আপিলের সম্ভাব্য কৌশল ও ভুয়া স্পনসরশিপের তথ্য:

বিবিসি স্পোর্টসের নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, আপিল করার প্রক্রিয়ায় সিটি মূলত দাবি করতে পারে যে, তাদের মূল স্পন্সরশিপ চুক্তির পেছনের অর্থ সরাসরি ক্লাবের মালিকদের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নয়, বরং আবুধাবি সরকারের মাধ্যমে অর্থায়ন করা হয়েছিল।

এদিকে, স্বাধীন প্যানেলের দীর্ঘ তদন্ত ও অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। সেখানে দেখা গেছে, প্রকৃত স্পনসরদের কাছ থেকে ক্লাবটি যেখানে মাত্র ১২ কোটি পাউন্ডের মতো আয় করেছিল, সেখানে কাগজপত্রে তা বাড়িয়ে প্রায় ৯৫ কোটি পাউন্ড দেখানো হয়েছিল। অর্থাৎ, অভিযুক্ত ওই সময়গুলোতে ম্যানচেস্টার সিটির স্পনসর আয়ের প্রতি ১০০ টাকার মধ্যে প্রায় সাড়ে ৮৭ টাকাই ভুয়া বা সাজানো চুক্তির আড়ালে সরাসরি ঢেলেছিলেন ক্লাবটির স্বত্বাধিকারীরা। এখন দেখার বিষয়, আপিল শুনানিতে এই আর্থিক অস্বচ্ছতার অভিযোগ থেকে সিটি নিজেদের কীভাবে রক্ষা করে।

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency