| বঙ্গাব্দ

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র শান্তি: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 02-10-2026 ইং
  • 4776 বার পঠিত
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র শান্তি: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
ছবির ক্যাপশন: অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র শান্তি: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ
প্রকাশ: ২ অক্টোবর ২০২৬

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র পারমাণবিক বোমা নয়, বরং শান্তি। তার মতে, শান্তিতে বিনিয়োগ এবং শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশের মাধ্যমে সংঘাত কমিয়ে টেকসই উন্নয়ন ও সুন্দর সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। 

শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় বিশ্ব শান্তি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে লাল সবুজ সাংস্কৃতিক একাডেমি আয়োজিত ‘গ্ল্যামার এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, তিনি নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং পারমাণবিক অস্ত্র সম্পর্কে পড়াশোনা করেছেন। পারমাণবিক বোমাকে শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা হলেও তার বিশ্বাস, মানবসভ্যতার জন্য শান্তিই সবচেয়ে শক্তিশালী শক্তি। শিল্প ও সংস্কৃতির ভূমিকা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এসব চর্চার কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা নেই। ভাষা না বুঝলেও সংগীত, চিত্রকলা ও নৃত্যের মতো শিল্পমাধ্যম মানুষের মধ্যে যোগাযোগ, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার সুযোগ তৈরি করতে পারে। তাই বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় শিল্প ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। 

বিশ্ব শান্তি দিবসের ‘ইনভেস্ট ইন পিস’ বা শান্তিতে বিনিয়োগের বার্তার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, শান্তির জন্য শুধু একটি দিন নয়, বছরের প্রতিটি দিন কাজ করা প্রয়োজন। তার মতে, শান্তিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের সংঘাত, অস্থিরতা ও যুদ্ধ থেকে উত্তরণের পথ তৈরি করা সম্ভব। 

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শিল্প ও সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহের কথা স্মরণ করেন। পাশাপাশি শিল্পকলা একাডেমির অডিটোরিয়াম ও অবকাঠামো নির্মাণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সরকারের সময় আট কোটি টাকা অনুদানের ব্যবস্থা করার বিষয়ে নিজের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন। 

মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশে শান্তি ও সম্প্রীতির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি সুন্দর ও ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলার দৃষ্টান্ত তৈরি করা সম্ভব। এ জন্য শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা ও প্রসারে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। 

অনুষ্ঠানে শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: বাসস, কালবেলা

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency