কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন্দর এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়। চালানের নথি যাচাই ও শারীরিক পরীক্ষার আগেই অসাধু চক্রটি পণ্য খালাসের চেষ্টা করছিল।
অভিযান ও আটক সংক্রান্ত মূল বিষয়সমূহ:
আটককৃত পণ্য: ১০ কনটেইনার কাঁচা তামাক, যা পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে আমদানি করা হয়েছিল।
অভিযোগের ধরন: আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মূল পণ্যের সঠিক ঘোষণা না দিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার চক্রান্ত করেছিল।
কাস্টমসের পদক্ষেপ: খালাসের আগেই কনটেইনারগুলো আটকে দেওয়া হয় এবং চালানের সাথে জড়িতদের শনাক্তে আইনি কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
শুল্ক ফাঁকি প্রতিরোধ ও রাজস্ব সুরক্ষায় এ ধরনের অসাধু আমদানিকারকদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে বলে সতর্ক করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
চট্টগ্রাম বন্দরে কাঁচা তামাকের এই বড় চালান জব্দ হওয়ার ঘটনা রাজস্ব ফাঁকি রোধে কাস্টমস গোয়েন্দাদের সতর্ক অবস্থানেরই প্রতিফলন। চালানটির পেছনে থাকা আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের বিরুদ্ধে কাস্টমস আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |