বিশেষ ক্রীড়া বিশ্লেষণে: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভালে অনুষ্ঠিত ‘অঘোষিত ফাইনালে’ নিউজিল্যান্ডকে ধুলোয় মিশিয়ে দিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ৩৩ রানের দাপুটে জয়ে ৩-২ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করল প্রোটিয়ারা। কনর এস্টারহুইজেনের অতিমানবীয় ব্যাটিং এবং বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে কিউইদের মাঠে তাদেরই সিরিজ হারের স্বাদ আস্বাদন করালো দক্ষিণ আফ্রিকা।
টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা এক সময় চাপে পড়েছিল। ১১তম ওভারে স্কোর যখন ২ উইকেটে ৭৬, তখন ক্রিজে আসেন কনর এস্টারহুইজেন। এরপর যা হলো, তাকে স্রেফ ধ্বংসযজ্ঞ বলা যায়। মাত্র ৩৩ বলে ৫টি চার ও ৬টি বিশাল ছক্কায় ৭৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি। তার এই ঝড়ো ব্যাটিংয়েই দক্ষিণ আফ্রিকা ৪ উইকেটে ১৮৭ রানের বিশাল পুঁজি পায়।
১৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় নিউজিল্যান্ড। তবে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে কিউই ফিল্ডারদের দায়ও কম নয়। বেশ কয়েকটি সহজ ক্যাচ মিস করে প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানদের জীবনদান করেন তারা। যদিও নিক কেলি একটি দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়ে রুবিন হারমানকে (৩৯) ফিরিয়েছিলেন, কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে।
রান তাড়া করতে নেমে নিউজিল্যান্ডের কোনো ব্যাটসম্যানই থিতু হতে পারেননি।
বেভন জ্যাকবস: ১৯ বলে সর্বোচ্চ ৩৬ রান।
টিম রবিনসন: ২৫ রান।
জিমি নিশাম: ২৪ বলে ২৪ রান। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে জেরাল্ড কোয়েৎজি (২/২১) এবং উইয়ান মুল্ডার (২/২৮) অত্যন্ত কৃপণ বোলিং করে কিউইদের ১৫৪ রানেই আটকে দেন।
আরও পড়ুন:
অ্যান্টার্কটিকায় চাকরি: বছরে ৫০ লাখ টাকা বেতন, থাকা-খাওয়া ফ্রি! আবেদন করবেন যেভাবে।
চতুর্থ ম্যাচেও ফিফটি করেছিলেন এস্টারহুইজেন। ফাইনাল ম্যাচে তার অপরাজিত ৭৫ রানের ইনিংসটিই মূলত নিউজিল্যান্ডকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয়। প্রত্যাশিতভাবেই তিনি ম্যাচসেরা এবং সিরিজসেরার পুরস্কার জিতে নিয়েছেন।
বিশেষ বিশ্লেষণ:
গুগল সার্চ কনসোল রিপোর্ট: এক মাসে ২৫% ক্লিক বৃদ্ধির গোপন কৌশল - macinfinity.sg
দক্ষিণ আফ্রিকা: ১৮৭/৪ (২০ ওভার) - এস্টারহুইজেন ৭৫*, হারমান ৩৯।
নিউজিল্যান্ড: ১৫৪/৮ (২০ ওভার) - জ্যাকবস ৩৬, রবিনসন ২৫।
ফলাফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৩ রানে জয়ী।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |