মায়ানমারের রাখাইনে বাস্তুচ্যুতদের শিবিরে বিমান হামলা, শিশুসহ নিহত অন্তত ৮
মায়ানমারের যুদ্ধকবলিত রাখাইন রাজ্যে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত বেসামরিক নাগরিকদের একটি আশ্রয়শিবিরে জান্তা বাহিনীর চালানো ভয়াবহ বিমান হামলায় অন্তত ৮ জন নিহত হয়েছেন। আজ ৫ অক্টোবর ভোরে রাখাইন রাজ্যের উত্তরাঞ্চলীয় একটি বাস্তুচ্যুত শিবিরে সামরিক জান্তার যুদ্ধবিমান থেকে এই বোমা বর্ষণ করা হয়। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে এবং হামলায় অন্তত ১৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয় বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে এই অতর্কিত হামলা চালানো হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
হামলার বিবরণ ও হতাহতের চিত্র
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর বরাতে জানা যায়, ভোররাতে বেসামরিক নাগরিকরা যখন ঘুমাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই বিমান হামলা চালানো হয়।
অতর্কিত বোমা বর্ষণ: যুদ্ধবিমান থেকে সরাসরি আশ্রয়শিবিরের ওপর একাধিক বোমা ফেলা হয়, যার ফলে অস্থায়ী বাঁশ ও ত্রিপলের তৈরি ঘরগুলো মুহূর্তেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।
হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধি: ঘটনাস্থলেই শিশু ও নারীসহ ৮ জনের মৃত্যু হয়। আহত অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জরুরি উদ্ধার অভিযান: হামলার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বেচ্ছাসেবকেরা ধসে পড়া ঘরের নিচ থেকে হতাহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যান।
এক নজরে রাখাইন বিমান হামলার তথ্য
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
| ঘটনাস্থল | রাখাইন রাজ্য (বাস্তুচ্যুত আশ্রয়শিবির), মায়ানমার |
| আক্রমণকারী | মায়ানমার সামরিক জান্তা বাহিনী |
| প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি | নিহত ৮ জন (নারী ও শিশুসহ), আহত অন্তত ১৫ জন |
| আক্রমণের ধরন | যুদ্ধবিমান থেকে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বোমাবর্ষণ |
| সংবাদের তারিখ | ৫ অক্টোবর ২০২৬ |
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও স্থানীয় পরিস্থিতি
রাখাইনে আরাকান আর্মি ও মায়ানমার সামরিক বাহিনীর মধ্যকার তীব্র লড়াইয়ের কারণে গত কয়েক মাসে হাজার হাজার পরিবার গৃহহীন হয়ে এসব আশ্রয়শিবিরে আশ্রয় নিয়েছিল।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |